ইসলামের ইতিহাসে আজানের সূচনা কীভাবে হল

আজান (أَذَان) একটি আরবি শব্দ, যার শাব্দিক অর্থ হলো ঘোষণা করা, জানিয়ে দেওয়া বা আহ্বান করা। ইসলামি ইবাদত ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো আজান। মদিনায় হিজরতের পর যখন মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করল তখন নামাজের সময় হলে মানুষকে একত্রিত করার কোনও নির্দিষ্ট পদ্ধতি ছিল না। সাহাবিগণ প্রায়ই অনুমানের ভিত্তিতে মসজিদে একত্রিত হতেন। এক …

Read more

Share:

আজানের জবাব ও আজানের পরে দুআ এবং আজানের ফাঁকে ফাঁকে দুআর বিধান

প্রশ্ন: আজান শুনলে কী কী করণীয়? আর আমরা জানি, আজান ও ইকামত এর মধ্যবর্তী সময়ের দোয়া কবুল হয়। কিন্তু আজানের উত্তর দেয়ার ফাঁকে ফাঁকে কি আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া চাওয়ার কথা হাদিসে উল্লেখ রয়েছে কি? দয়া করে জানাবেন ইনশাআল্লাহ। উত্তর: আজানের উত্তর দেওয়ার সময় মাঝপথে আলাদাভাবে দোয়া করার বিশেষ কোনো নির্দেশ বা আমল হাদিসে বর্ণিত …

Read more

Share:

সালাতে রফউল ইয়াদাইন বা দু হাত উত্তোলনের ব্যাপারে সম্মানিত সাহাবি-তাবেয়ি ও ইমামগণের অবস্থান এবং দৃঢ়তা

সালাতে ‘রফউল ইয়াদাইন’ না করার সপক্ষে যেসব বর্ণনা পাওয়া যায় মুহাদ্দিসগণের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণে সেগুলো ‘জয়িফ’ বা দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত। এমনকি একজন সাহাবি থেকেও এই মর্মে কোনো বিশুদ্ধ বর্ণনা পাওয়া যায় না। এর বিপরীতে, সহিহ বুখারি ও মুসলিমসহ হাদিসের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থগুলোতে রফউল ইয়াদাইন সম্পর্কে অজস্র সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে—যা মূলত ‘মুতাওয়াতির’ বা অকাট্য পর্যায়ের। অর্থাৎ এত …

Read more

Share:

ইসলামের দৃষ্টিতে দাড়ি রাখার গুরুত্ব​ ও বিধান

ইসলামের দৃষ্টিতে পুরুষদের জন্য দাড়ি রাখা আদর্শিক দৃষ্টিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহ। কিন্তু বিধানগত ভাবে তা ফরজ/ওয়াজিব এবং দাড়ি কাটা, ছাটা এবং মুণ্ডণ করা হারাম। এতে মহান আল্লাহর নাফরমানি এর পাশাপাশি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদেশ অমান্য করা হয় এবং তাঁর নিষেধ লঙ্ঘন করা হয়। তা ছাড়া আল্লাহর রাসুলের আদেশ-নিষেধকে …

Read more

Share:

দাড়ি রাখা ফরজ নয় বরং সুন্নত এ কথা কি সঠিক

প্রশ্ন: অনেকেই বলে থাকে যে, দাড়ি রাখা ফরজ নয় বরং সুন্নত। এ কথা কি সঠিক? উত্তর: রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাড়ি রেখেছেন সে অর্থে এটি সুন্নত বা অনুকরণীয় আদর্শ। কিন্তু তা পালনের বাধ্য-বাধকতার ক্ষেত্রে বিধানগত ভাবে এটি ফরজ/ওয়াজিব। অর্থাৎ কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে তা পরিত্যাগ করলে গুনাহগার হবে। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন …

Read more

Share:

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য এবং দাড়ির যত্নে কতিপয় টিপস

প্রশ্ন: দাড়িতে তেল মাখা যাবে কি? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি দাড়িতে তেল মাখতেন? গোসলের আগে না কি পরে তেল মাখা সুন্নত? উত্তর: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নি:সন্দেহে সকল ক্ষেত্রে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তিনি বলেন, إنَّ اللهَ جميلٌ يحبُّ الجَمالَ “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সুন্দর এবং তিনি সৌন্দর্যকে ভালোবাসেন।” (মুসলিম ১/৬৫) ইবনুল কাইয়েম …

Read more

Share:

দাড়ি না রেখে মারা গেলে কি জান্নাতে যাওয়া যাবে

প্রশ্ন: একজন মুসলিম নামাজী কিন্তু দাড়ি না রেখে মারা গেছে এবং টাখনুর উপরে ও প্যান্ট পরিধান করত না। এ ব্যক্তি কি জান্নাতি হতে পারবে? উত্তর: দাড়ি কাটা, ছাটা বা মুণ্ডন করা, (পুরুষদের জন্য) টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে কাপড় পরিধান করা ইত্যাদি কবিরা গুনাহ। মুসলিম ব্যক্তির জন্য এ সব গুনাহ থেকে তৎক্ষণাৎ তওবা করা ফরজ। কিন্তু …

Read more

Share:

সালাতে রফউল ইয়াদাইন বা দু হাত উত্তোলনের ব্যাপারে সহিহ বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত কতিপয় হাদিস

সালাতের শুরুতে তকবিরে তাহরিমা ছাড়া অন্য কোথাও দু হাত উত্তোলন না করা সংক্রান্ত হাদিসগুলোকে অধিকাংশ মুহাদ্দিস দুর্বল বলেছেন। এর বিপরীতে রুকুতে যাওয়া, রুকুতে ওঠা এবং ১ম বৈঠক শেষে ৩য় রাকাতে উঠার সময় রফউ ইয়াদাইন বা দু হাত উত্তোলন করা সংক্রান্ত হাদিসগুলো বিশুদ্ধ সনদে ‘মুতাওয়াতির’ পর্যায়ের অর্থাৎ তা এত বেশি সংখ্যক সাহাবি বর্ণনা করেছেন যে তা …

Read more

Share:

সালাতে তাকবিরে তাহরিমা ছাড়া অন্যান্য স্থানে রফউল ইয়াদাইন বা দু হাত উত্তোলন না করা সংক্রান্ত হাদিসগুলো কি সহিহ

সালাতে তাকবিরে তাহরিমার সময় দু হাত কাঁধ বা কানের লতি বরাবর উত্তোলন করতে হবে। এ বিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই। কিন্তু রুকুতে যাওয়া, রুকু থেক মাথা উঠানো এবং ১ম বৈঠকের পর ৩য় রাকাতে ওঠার সময় হাত ওঠানোর বিষয়টি বহু সংখ্যক সাহাবি, তাবেয়ি এবং চার মাজহাবের ইমামদের মধ্যে একমাত্র ইমাম আবু হানিফা (রাহ.) ছাড়া সকল ইমাম নিজেরা …

Read more

Share:

তাসবিহ নাকি ইসতিগফার কোনটি বেশি উপকারী

ইবনুল কাইয়েম (রাহ.) বলেন: আমি একদিন শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, জনৈক আলেমকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, একজন বান্দার জন্য তাসবিহ (আল্লাহর মহিমা ঘোষণা) নাকি ইসতিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা)-কোনটি বেশি উপকারী? তিনি উত্তরে বলেছিলেন: “إِذَا كَانَ الثَّوْبُ نَقِيًّا؛ فَالْبَخُورُ وَمَاءُ الْوَرْدِ أَنْفَعُ لَهُ، وَإِذَا كَانَ دَنِسًا؛ فَالصَّابُونُ وَالْمَاءُ الْحَارُّ أَنْفَعُ لَهُ “কাপড় যদি পরিষ্কার …

Read more

Share: