শিয়া রাফেজি আকিদার ওপর মৃত ব্যক্তির জানাজার সালাত ও তার জন্য দোয়ার হুকুম

আল্লাহ তাআলা বলেন,
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
​”সুতরাং তোমরা জ্ঞানীদের জিজ্ঞাসা করো, যদি তোমরা না জানো।” [সুরা নাহল: ৪৩] এই আয়াতের আলোকে শিয়া-রাফিজিদের জানাজার সালাতে অংশগ্রহণ এবং তাদের জন্য দোয়া করা প্রসঙ্গে বিজ্ঞ আলেমদের কতিপয় ফতওয়া উপস্থাপন করা হল:
▪️১. ​ইমাম ইবনে বায (রহ.) বলেন,
​أَمَّا إِذَا كَانَتْ بِدْعَتُهُمْ تُوجِبُ كُفْرَهُمْ فَإِنَّهُ لَا يُصَلَّى عَلَيْهِمْ، وَلَا يُسْتَغْفَرُ لَهُمْ؛ كَالْجَهْمِيَّةِ وَالْمُعْتَزِلَةِ وَالرَّافِضَةِ الَّذِينَ يَدْعُونَ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، وَيَسْتَغِيثُونَ بِهِ وَبِأَهْلِ الْبَيْتِ وَأَشْبَاهِهِمْ لِقَوْلِ اللَّهِ سُبْحَانَهُ فِي الْمُنَافِقِينَ وَأَشْبَاهِهِمْ: {وَلَا تُصَلِّ عَلَىٰ أَحَدٍ مِّنْهُم مَّاتَ أَبَدًا وَلَا تَقُمْ عَلَىٰ قَبْرِهِ ۖ إِنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَمَاتُوا وَهُمْ فَاسِقُونَ}
​”যদি তাদের বিদআত তাদের কুফরির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তাদের জানাজার সালাত আদায় করা যাবে না এবং তাদের জন্য ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনাও করা যাবে না—যেমনটি জাহমিয়া, মুতাযিলা এবং রাফেজিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যারা আলি (রা.)-কে ডাকে এবং তার ও আহলে বাইতের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। কেননা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মুনাফিক ও তাদের সদৃশদের সম্পর্কে বলেছেন:
وَلَا تُصَلِّ عَلَىٰ أَحَدٍ مِّنْهُم مَّاتَ أَبَدًا وَلَا تَقُمْ عَلَىٰ قَبْرِهِ ۖ إِنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَمَاتُوا وَهُمْ فَاسِقُونَ
“তাদের মধ্যে যে কেউ মারা যাক, তুমি কখনো তার জানাজার সালাত আদায় করো না এবং তার কবরের পাশে দাঁড়িও না। নিশ্চয় তারা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের সাথে কুফরি করেছে এবং তারা পাপিষ্ঠ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।” [মাজমু’উ ফাতওয়া ইবনে বায, ১৩/১৬১]
▪️২. ​ইমাম যাহাবি (রহ.) বলেন,
​قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْإِمَامِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ: قُلْتُ لِأَبِي: مَنِ الرَّافِضِيُّ؟ قَالَ: الَّذِي يَشْتُمُ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَوْ يَتَعَرَّضُ لَهُمْ مَا أَرَاهُ عَلَى الْإِسْلَامِ
​”আব্দুল্লাহ ইবনুল ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.) বলেন: আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাফেজি কে? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবিদের মধ্য থেকে কাউকে গালি দেয় অথবা তাদের ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করে—আমি তাকে ইমানের ওপর আছে বলে মনে করি না।” [তারিখুল ইসলাম, তাহকিক তাদমুরি, ১৮/৮৯]
▪️৩. ​ইমাম বুখারি (রহ.) বলেন,
​«مَا أُبَالِي صَلَّيْتُ خَلْفَ الْجَهْمِيِّ أَوِ الرَّافِضِيِّ أَمْ صَلَّيْتُ خَلْفَ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى، وَلَا يُسَلَّمُ عَلَيْهِمْ، وَلَا يُعَادَوْنَ، وَلَا يُنَاكَحُونَ، وَلَا يَشْهَدُونَ، وَلَا تُؤْكَلُ ذَبَائِحُهُمْ» وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ: هُمَا مِلَّتَانِ: «الْجَهْمِيَّةُ، وَالرَّافِضِيَّةُ»
​”আমি পরোয়া করি না যে, আমি জাহমি বা রাফেজির পিছনে সালাত আদায় করলাম, নাকি ইহুদি-নাসারাদের পিছনে সালাত আদায় করলাম। তাদেরকে সালাম দেওয়া যাবে না, তাদের সাথে সাক্ষাৎ-সম্পর্ক রাখা যাবে না, তাদের সাথে বিবাহ দেওয়া যাবে না, তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় এবং তাদের জবাইকৃত পশুর গোশত খাওয়া যাবে না।
আব্দুর রহমান ইবনে মাহদি বলেন: এরা দুটি (বিভ্রান্ত) দল—জাহমিয়া এবং রাফেজিয়া।”
[খালকু আফআলিল ইবাদ, ইমাম বুখারি, পৃ. ৩৫]
▪️৪. শাহিন ইবনুস সুমাইদা’ বলেন,
سَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ قُلْتُ: أُصَلِّي خَلْفَ الْجَهْمِ؟ قَالَ: لَا تُصَلِّ خَلْفَ الْجَهْمِيِّ وَلَا خَلْفَ الرَّافِضِيِّ
“আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে হাম্বলকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি কি জাহমির পিছনে সালাত আদায় করব? তিনি বললেন: না, তুমি জাহমির পিছনেও সালাত আদায় করো না, রাফেজির পিছনেও না।” [ইবনে আবি ইয়ালা, তবাকাতুল হানাবিলা, ১/১৭২]
▪️৫. ​প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আলি ফারকুস বলেন,
​لِأَنَّ عَقِيدَةَ الرَّافِضَةِ تَتَضَمَّنُ تَكْفِيرَ عَامَّةِ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ وَكُلِّ مَنْ تَرَضَّى عَنْهُمْ وَاسْتَغْفَرَ لَهُمْ، مَعَ اسْتِحْلَالِ دِمَائِهِمْ وَتَحْرِيمِ ذَبَائِحِهِمْ، وَادِّعَاءِ الْعِصْمَةِ فِي الْأَئِمَّةِ الْمَزْعُومِينَ وَوَصْفِهِمْ بِالصِّفَاتِ الْإِلَهِيَّةِ، وَاسْتِعْمَالِهِمُ التَّقِيَّةَ وَيَقْصِدُونَ بِهَا الْكَذِبَ دِينًا يَرْضَوْنَهُ، وَلَهُمْ تَفْسِيرَاتٌ بَاطِنِيَّةٌ لِلْقُرْآنِ الْكَرِيمِ، وَادِّعَائِهِمْ أَنَّ أَهْلَ الْبَيْتِ قَدْ خُصُّوا بِالْعُلُومِ وَالْأَسْرَارِ الَّتِي لَمْ يَطَّلِعْ عَلَيْهَا غَيْرُهُمْ، وَتَعْطِيلِهِمُ الْمَسَاجِدَ، وَبِنَاءَ مَا يُسَمُّونَهُ بِالْمَشَاهِدِ وَالْقُبُورِ وَتَعْظِيمَهَا أَكْثَرَ مِنَ الْمَسَاجِدِ، وَتَمْجِيدَهُمْ مَهْدِيَّهُمُ الْمُنْتَظَرَ وَجَعْلَ الْإِيمَانِ بِهِ رُكْنًا فِي الْإِيمَانِ، وَتَعْلِيقَ الْحَلَالِ وَالْحَرَامِ بِهِ وَلَوْ فِي مُخَالَفَةِ الْكِتَابِ وَالسُّنَّةِ، هَذَا غَيْضٌ مِنْ فَيْضِ عَقِيدَةِ الرَّافِضَةِ
​”কেননা রাফেজিদের আকিদার মধ্যে রয়েছে—সকল মুহাজির ও আনসারকে এবং যারা তাদের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে ও তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তাদের প্রত্যেককে কাফির আখ্যা দেওয়া। সাথে সাথে তাদের রক্ত হালাল মনে করা, তাদের জবাইকৃত পশুর গোশত হারাম মনে করা, তথাকথিত ইমামদের নিষ্পাপ দাবি করা, তাদেরকে আল্লাহর গুণাবলিতে গুণান্বিত করা, তাকিয়া ব্যবহার করা (যার মাধ্যমে তারা মিথ্যাকে ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে), কুরআনু কারিমের গোপন বাতেনি ব্যাখ্যা করা, আহলে বাইতকে এমন সব বিশেষ জ্ঞান ও রহস্যের অধিকারী দাবি করা যা অন্য কেউ জানে না। এছাড়া মসজিদগুলোকে অকার্যকর রাখা, মাশহাদ ও কবর নির্মাণ করে সেগুলোকে মসজিদের চেয়েও বেশি সম্মান করা, তাদের প্রতীক্ষিত মাহদির প্রতি অতিরিক্ত মর্যাদা আরোপ করে তার প্রতি ইমান আনাকে ইমানের রুকন বানানো এবং কুরআন-সুন্নাহর বিরোধিতা হলেও হালাল-হারামকে তার সাথে সম্পৃক্ত করা—এসব হলো রাফেজি আকিদার বিশাল সমুদ্রের একবিন্দু মাত্র।” [ফাতওয়া নং ৬৮৭]
৬. ​শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন,
​قَالَ الْبُخَارِيُّ صَاحِبُ الصَّحِيحِ فِي كِتَابِ “خَلْقِ الْأَفْعَالِ”: مَا أُبَالِي صَلَّيْتُ خَلْفَ الْجَهْمِيِّ أَوِ الرَّافِضِيِّ أَوْ صَلَّيْتُ خَلْفَ الْيَهُودِيِّ وَالنَّصْرَانِيِّ وَلَا يُسَلَّمُ عَلَيْهِمْ وَلَا يُعَادَوْنَ وَلَا يُنَاكَحُونَ وَلَا يَشْهَدُونَ وَلَا تُؤْكَلُ ذَبَائِحُهُمْ قَالَ وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ: هُمَا مِلَّتَانِ فَاحْذَرُوهُمْ: الْجَهْمِيَّةُ وَالرَّافِضَةُ
​”সহিহ বুখারির রচয়িতা ইমাম বুখারি তাঁর ‘খালকুল আফআল’ গ্রন্থে বলেছেন: আমি পরোয়া করি না যে, আমি জাহমি বা রাফেজির পিছনে সালাত আদায় করলাম, নাকি ইহুদি-নাসারার পিছনে। তাদেরকে সালাম দেওয়া যাবে না, তাদের সাথে সাক্ষাৎ-সম্পর্ক রাখা যাবে না, তাদের সাথে বিবাহ দেওয়া যাবে না, তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় এবং তাদের জবাইকৃত পশুর গোশত খাওয়া যাবে না।
আব্দুর রহমান ইবনে মাহদি বলেন: এরা দুটি (বিভ্রান্ত) দল—অতএব তোমরা এদের থেকে সতর্ক থাকো: জাহমিয়া এবং শিয়া রাফেজা।” [বায়ানু তালবিসিল জাহমিয়া, ৩/৫২২]
​قَالَ الْبَرْبَهَارِيُّ: وَاعْلَمْ أَنَّ الْأَهْوَاءَ كُلَّهَا رَدِيَّةٌ تَدْعُو إِلَى السَّيْفِ وَأَرْدَؤُهَا وَأَكْفَرُهَا: الرَّافِضَةُ وَالْمُعْتَزِلَةُ وَالْجَهْمِيَّةُ فَإِنَّهُمْ يُرِيدُونَ النَّاسَ عَلَى التَّعْطِيلِ وَالزَّنْدَقَةِ
​”ইমাম বারবাহারি বলেন: জেনে রাখো, সকল প্রকার ভ্রান্ত প্রবৃত্তিই মন্দ এবং তা তরবারির (বিদ্রোহের) দিকে ডেকে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও কুফরির সবচেয়ে নিকটবর্তী হলো—রাফেজা, মু’তাযিলা এবং জাহমিয়া। কেননা তারা মানুষকে (আল্লাহর গুণাবলি) অস্বীকার এবং যিন্দিকিয়াতের দিকে টেনে নিতে চায়।” [তবাকাতুল হানাবিলা, ২/৩৭]
▪️৭. ​শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) আরও বলেন,
​وَلِهَذَا كَانَتِ الشِّيعَةُ الْمُتَقَدِّمُونَ خَيْرًا مِنَ الْخَوَارِجِ الَّذِينَ قَاتَلَهُمْ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ بِأَمْرِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَمَّا كَثِيرٌ مِنْ مُتَأَخِّرِي الرَّافِضَةِ فَقَدْ صَارَ شَرًّا مِنَ الْخَوَارِجِ بِكَثِيرٍ بَلْ فِيهِمْ مَنْ هُوَ مِنْ أَعْظَمِ النَّاسِ نِفَاقًا بِمَنْزِلَةِ الْمُنَافِقِينَ الَّذِينَ كَانُوا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ فَوْقَهُمْ أَوْ دُونَهُمْ
​”এ কারণেই পূর্ববর্তী শিয়ারা খারিজিদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভালো ছিল—যাদের বিরুদ্ধে আমিরুল মুমিনিন আলি ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশে যুদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালের অধিকাংশ রাফেজি খারিজিদের চেয়েও অনেক বেশি নিকৃষ্ট হয়ে গেছে, এমনকি তাদের মধ্যে এমন লোকও রয়েছে যারা নিফাকের দিক থেকে চরম পর্যায়ের—রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগের মুনাফিকদের সমপর্যায়ের, অথবা তাদের চেয়েও উপরে কিংবা তাদের কাছাকাছি।” [বায়ানু তালবিসিল জাহমিয়া ফি তাসিসি বিদাইহিমুল কালামিয়া, ৩/৫২১]
▪️৮. শিয়া রাফিজিদের পেছনে সালাত আদায় প্রসঙ্গে শাইখ ইবনে বায (রহ.)
​الشيخ: الشِّيعَةُ مِنْ أَخْبَثِ أَهْلِ الْبِدَعِ، وَشَرُّهُمُ الرَّافِضَةُ الْإِمَامِيَّةُ، فَإِنَّهُمْ ضِدُّ الْإِسْلَامِ وَضِدُّ أَصْحَابِ الرَّسُولِ ﷺ، فَهُمْ عِنْدَهُمْ مِنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ وَأَنْوَاعِ الشَّرِّ مَا لَيْسَ عِنْدَ غَيْرِهِمْ مِنْ سَبِّ الصَّحَابَةِ وَالْغُلُوِّ فِي عَلِيٍّ وَأَهْلِ الْبَيْتِ وَأَنْوَاعِ الشِّرْكِ بِاللَّهِ تَعَالَى
“শিয়ারা বিদআতিদের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট আর তাদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হলো রাফেজি ইমামিয়া সম্প্রদায়। তারা ইসলামের বিরোধী এবং রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবিদের বিরোধী। তাদের মধ্যে এমন সব শিরক, কুফরি এবং নানাবিধ মন্দ রয়েছে যা অন্য কারো মধ্যে নেই—যেমন সাহাবিদের গালি দেওয়া, আলি ও আহলে বাইতের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করা এবং আল্লাহ তাআলার সাথে বিভিন্ন প্রকার শিরক করা।
​প্রশ্নকারী: আমি একবার না জেনেই তাদের একটি মসজিদে সালাত আদায় করেছিলাম, আমার সালাত কি শুদ্ধ হয়েছে?
শাইখ উত্তরে বলেন,
​ صَلَاتُهُ غَيْرُ صَحِيحَةٍ إِذَا كَانَ إِمَامُ الْمَسْجِدِ مِنْهُمْ فَلَيْسَتْ صَحِيحَةً يُعِيدُهَا، الصَّلَاةُ خَلْفَ الْكَافِرِ لَا تَصِحُّ، إِنَّمَا تَصِحُّ خَلْفَ الْفَاسِقِ أَمَّا الْكَافِرُ لَا، هُمْ يَدْعُونَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيَسْتَغِيثُونَ بِعَلِيٍّ وَيَسْتَغِيثُونَ بِفَاطِمَةَ وَيَسْتَغِيثُونَ بِالْحَسَنِ وَالْحُسَيْنِ وَيَقُولُونَ أَنَّهُمْ يَعْلَمُونَ الْغَيْبَ يَسُبُّونَ الصَّحَابَةَ هُمْ مِنْ أَئِمَّةِ الْكُفْرِ
​’তার সালাত শুদ্ধ হয়নি। যদি মসজিদের ইমাম তাদের মধ্য থেকে হয়ে থাকে, তবে তা শুদ্ধ নয়—তাকে পুনরায় আদায় করতে হবে। কাফিরের পিছনে সালাত শুদ্ধ হয় না; বরং ফাসিকের পিছনে শুদ্ধ হয়, কাফিরের পিছনে নয়। তারা আহলে বাইতকে ডাকে এবং আলি, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে, এবং বলে যে তারা গায়েব জানেন। তারা সাহাবিদের গালি দেয়—তারা কুফরের ইমাম। [ইবনে বায, শারহুল জাওয়াবিল কাফি, “গুনাহ বান্দাকে নিজেকে ভুলিয়ে দেয়” (পর্ব-০৪)
[উৎস: ‘ইমাম মোহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন (রহ.)’ ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া]
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬
অনুবাদ ও গ্রন্থনা: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।
Share: