তারাবীর নামায ও কিয়ামুল লাইল কি এক জিনিশ

প্রশ্ন : আমি কিয়ামুল লাইল ও তারাবীর নামাযের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাই। উত্তর : সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। তারাবীর নামায কিয়ামুল লাইলের অন্তর্ভুক্ত। এ দুইটি পৃথক কোন সালাত নয়, যেমনটি অনেক সাধারণ মানুষ ধারণা করে থাকেন। বরং রমজান মাসে যে ‘কিয়ামুল লাইল’ করা হয় সেটাকে ‘সালাতুত তারাবী’ বা বিরতিপূর্ণ নামায বলা হয়। কারণ সলফে সালেহীন …

Read more

Share:

একই রাতে কি দুইবার বিতির নামায পড়া যাবে; যদি কেউ ইমামের সাথে বিতির নামায পড়ার পর আবার নামায পড়ে

প্রশ্ন: পর সমাচার আমি জিজ্ঞেস করতে চাই যে, তারাবির নামাযের শেষে আমরা জোড় সংখ্যক  ও বিতির (বেজোড় সংখ্যক) নামায আদায় করি। আমি শুনেছি যে, আমাদের সর্বশেষ নামায বিতির বা বেজোড় সংখ্যা হওয়া আবশ্যক। এর মানে এটা যে, আমরা যদি রাতে আরও নামায পড়ি তখন জোড়ের সাথে বিতির (বেজোড়) নামায আবার পড়ব? নাকি বিতির নামায প্রথমে …

Read more

Share:

বিতিরের নামায কি সালাতুল লাইল (রাতের নামায) থেকে আলাদা কিছু

প্রশ্ন: বিতিরের নামায ও রাতের নামাযের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। বিতিরের নামাযও এক প্রকার রাতের নামায। তবে, তারপরেও রাতের নামাযের সাথে বিতিরের নামাযের কিছু পার্থক্য রয়েছে। শাইখ বিন বায (রহঃ) বলেন: বিতিরের নামায একপ্রকার রাতের নামায, এটি আদায় করা সুন্নত এবং এটি রাতের নামাযের সর্বশেষ নামায। বিতিরের নামায এক রাকাত; যে একরাকাত …

Read more

Share:

দোয়ায়ে কুনুত পড়া কি ওয়াজিব? মুখস্থ না থাকলে কি পড়বে

প্রশ্ন: বিভিন্ন দোয়া মুখস্থ করতে আমার খুব কষ্ট হয়; যেমন বিতিরের নামাযের দোয়ায়ে কুনুত। এ কারণে আমি এ দোয়ার জায়গায় একটি সূরা পড়তাম। যখন আমি জানতে পারলাম যে, এ দোয়া পড়া ফরজ; তখন দোয়াটি মুখস্থ করার চেষ্টা করতে থাকি। আমি নামাযের মধ্যে একটি বই থেকে দেখে দেখে দোয়াটি পড়ি। বইটিকে আমার পাশে একটি টেবিলের উপরে …

Read more

Share:

তারাবীর নামায শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইমামের অনুসরণ করা

প্রশ্ন: অগ্রগণ্য মতানুযায়ী তারাবী নামায যদি ১১ রাকাত হয়; কিন্তু আমি এক মসজিদে নামায পড়েছি সেখানে ২১ রাকাত তারাবী পড়া হয়। এমতাবস্থায়, আমি কি ১০ রাকাত পড়ে মসজিদ ত্যাগ করতে পারি; নাকি আমার জন্য তাদের সাথে ২১ রাকাত নামায পড়াই উত্তম? আলহামদুলিল্লাহ। উত্তম হচ্ছে ইমামের সাথে সম্পূর্ণ নামায আদায় করা, যতক্ষণ না ইমাম নামায শেষ …

Read more

Share:

রমযান মাসে কিয়ামুল লাইল এর ফযিলত

প্রশ্ন: রমযান মাসে কিয়ামুল লাইল এর ফযিলত কি? উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। রমযান মাসে কিয়ামুল লাইল পালন করার ফযিলত: আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি্ ওয়া সাল্লাম রমযান মাসে কিয়ামুল লাইল পালন করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতেন; তবে দৃঢ়ভাবে নির্দেশ দিতেন না। এরপর তিনি বলতেন: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশা নিয়ে রমযান …

Read more

Share:

নারীদের তারাবী নামায পড়ার বিধান

প্রশ্ন: নারীদের উপরে কি তারাবীর নামায আছে? তাদের জন্যে তারাবীর নামায বাসায় পড়া উত্তম? নাকি মসজিদে গিয়ে পড়া? উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। তারাবীর নামায সুন্নতে মুয়াক্কাদা। নারীদের জন্যে কিয়ামুল লাইল (রাতের নামায) ঘরে পড়া উত্তম। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “নারীদেরকে মসজিদে যেতে বাধা দিও না। তবে, তাদের জন্য ঘরই উত্তম।”[হাদিসটি আবু দাউদ তাঁর ‘সুনান’ …

Read more

Share:

তারাবীর নামাযে দুর্বল, বয়োবৃদ্ধ ও এদের পর্যায়ভুক্ত অন্যদের অবস্থা বিবেচনায় রাখা

প্রশ্ন: তারাবীর নামাযে দুর্বল, বয়োবৃদ্ধ ও এদের পর্যায়ভুক্ত অন্যদের অবস্থা বিবেচনায় রাখা কি ইমাম সাহেবের কর্তব্য? উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। তারাবী কিংবা ফরয নামায সকল নামাযের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন লোকদের ইমামতি করে তখন সে যেন হালকাভাবে নামায আদায় করে। কেননা তাদের মধ্যে রয়েছে দুর্বল, …

Read more

Share:

যে ব্যক্তির অনাদায়কৃত ফরজ নামাজ ও ফরজ রোযার সংখ্যা মনে নেই, তার করণীয় কি?

প্রশ্ন : যদি কোন মুসলিমের অনাদায়কৃত সালাত ও সিয়ামের সংখ্যা মনে না থাকে, তবে তিনি কিভাবে নামাজ ও রোযার কাযা করবেন? উত্তর : সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। প্রথমত: অনাদায়কৃত সালাতের ক্ষেত্রে তিনটি অবস্থা হতে পারে : প্রথম অবস্থা : ঘুম বা ভুলে যাওয়ার মত শরিয়ত অনুমোদিত ওজরের কারণে সালাত ছুটে যাওয়া। এ অবস্থায় তার উপর …

Read more

Share:

রোযা ভঙ্গ করা ও সালাত ক্বসর (সংক্ষিপ্ত) করা বৈধকারী সফরের সর্বনিম্ন সীমা কতটুকু?

প্রশ্ন : রোযা না-রাখাকে বৈধকারী সফরের সর্বনিম্ন সীমা কতটুকু? উত্তর : সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। অধিকাংশ আলেম এই মত দিয়েছেন যে ৪৮ মাইল দূরত্বে সফর করলে সালাত সংক্ষিপ্ত করা ও রোযা ভঙ্গ করা বৈধ। ইবনে ক্বুদামা ‘আল-মুগনী’ গ্রন্থে বলেছেন : “আবু আব্দুল্লাহ (অর্থাৎ ইমাম আহমাদ) এর মত হল ১৬ ফারসাখ এর কম দূরত্বে ক্বসর (সালাত …

Read more

Share: