জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের সেরা ১০টি আমল

১. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া:
ঠিক সময়ে খুশূ-খুযূ বা মনোযোগের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা।
২. বেশি বেশি জিকির করা:
তাকবীর (আল্লাহু আকবার), তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ), তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) এবং ইস্তিগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) ইত্যাদি বেশি বেশি পড়া।
৩. নফল রোজা রাখা:
বিশেষ করে যারা হজে যাননি তাদের জন্য আরাফার দিনের (৯ জিলহজ) রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।
৪. কুরআন তিলাওয়াত:
প্রতিদিনের জন্য কুরআনের একটি নির্দিষ্ট অংশ ওয়াজিফা হিসেবে নির্ধারণ করে নেওয়া এবং অর্থ বুঝে আয়াতগুলো নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা।
৫. দোয়া করা:
সেজদায়, নামাজের পর এবং দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্তগুলোতে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা।
৬. সদকা বা দান-সদকা করা:
পরিমাণে কম হোক বা বেশি দান করা। এর সওয়াব ও প্রতিদান অনেক বিশাল।
৭. আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা ও পিতামাতার প্রতি সদয় হওয়া:
এটি আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম সেরা মাধ্যম এবং এর সুফল খুব দ্রুত পাওয়া যায়।
৮. তওবা করা ও গুনাহ বর্জন করা:
এই পবিত্র দিনগুলোতে সব ধরনের অন্যায় ও পাপকাজ পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া।
৯. কুরবানি করা:
সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের জন্য এই দিনগুলোর অন্যতম মহান একটি সুন্নত হল কুরবানি দেওয়া।
১০. কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ নামাজ:
রাতের শেষভাগে কিয়ামুল্লায়ল করা তা মাত্র কয়েক রাকাত হলেও। মনোযোগের সাথে পড়া দুই রাকাত নামাজও অলস সময় কাটানোর থেকে অনেক উত্তম।
▪️গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
এই বরকতময় দিনগুলোতে আপনার জীবনের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সময়টুকু ব্যয় করুন এবং সব ধরনের অনর্থক কার্যক্রম থেকে দূরে থাকুন।
অনুবাদ ও গ্রন্থনা: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল।
Share: