টাক সমস্যার সমাধানে হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট বা মাথায় চুল প্রতিস্থাপন: পরিচয়, পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান:
মাথায় চুল কমে যাওয়া বা টাক পড়ার সমস্যা আজকাল বেশ সাধারণ। মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ অতঃপর আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট বা চুল প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এখন এর স্থায়ী সমাধান পাওয়া সম্ভব। নিম্নে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই অগ্রগতি হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট কী, কীভাব তা করা হয়, কারা এই পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারে এবং এর শরিয়তে দৃষ্টিতে এর বিধান কী ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
❒ মাথায় চুল প্রতিস্থাপন (হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট) কী? এর পদ্ধতি কী এবং কারা তা করতে পারে:
চুল পড়া বা টাকের একটি আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা চুল প্রতিস্থাপন। দেহের অন্যান্য অঙ্গের (যেমন কিডনি, চোখ) মতো চুলও প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে মাথার এক অংশ থেকে চুল নিয়ে অন্য অংশে লাগিয়ে দেওয়া হয়। চুল প্রতিস্থাপনে ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রচলিত সবচেয়ে আধুনিক ও ঝঞ্ঝাটহীন উপায়কে বলা হয়, (DHI- Direct Hair Implantation-সরাসরি চুল প্রতিস্থাপন) পদ্ধতি। পুরনো পদ্ধতিতে যেমন পুরো চামড়া কেটে ফেলতে হয় বা বড় কোনও কাটার ব্যাপার থাকে, ডিএইচআই-তে সেগুলোর কোনও ঝামেলাই নেই। এতে ডাক্তার সাহেব একটি বিশেষ ছোট কলম বা হাত দিয়ে চালানোর মতো যন্ত্র (যাকে হ্যান্ড পাঞ্চ বলা হয়) ব্যবহার করে মাথার পেছন বা পাশ থেকে খুব যত্নসহকারে একটি একটি করে চুল বা ফলিকল তুলে নেন।(গাছের যেভাবে গাছের শিকড় সহ গাছ তোলা হয় সে রকম) এরপর ঠিক একইরকম নিখুঁতভাবে যেখানে চুল নেই সেখানে ইমপ্লান্টার পেন দ্বারা খুব সূক্ষ্ম ছিদ্র করে চুলের ফলিকলটি বসিয়ে দেওয়া বসিয়ে দেন। যেহেতু এখানে কাটাছেঁড়া প্রায় হয়ই না এবং কাজটা খুব সূক্ষ্মভাবে করা হয় তাই এতে রক্তপাত ও জটিলতা অনেক কম হয় আর দাগ পড়ার বা শুকানোর ঝামেলাও থাকে না বললেই চলে। যাঁদের বয়স পঁচিশ-ত্রিশ বছর হওয়ার আগেই বংশগত বা হরমোনের কারণে মাথার চুল পড়ে যায়, বয়স বা মেনোপজের পর যেসব নারীর মাথায় টাক দেখা দেয়, কিংবা কোনও দুর্ঘটনার কারণে যাঁরা স্থায়ীভাবে চুল হারিয়েছেন এবং প্রাকৃতিকভাবে আর চুল গজানোর উপায় নেই মূলত তাঁরাই হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা চুল প্রতিস্থাপন করাতে পারেন। আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে এই পদ্ধতি অপারেশনের ফলে ৪-৬ মাসের মধ্যে নতুন চুল গজাতে শুরু করে এবং ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে স্থায়ী ফলাফল পাওয়া যায়। আলাদা কোনও বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয় না এবং স্বাভাবিক চুলের মতোই কাটা বা স্টাইল করা যায়।
❑ হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট-এর শরয়ি বিধান:
এ সম্পর্কে শরিয়তের বিধান হলো—এটি সম্পূর্ণ জায়েজ। কারণ এটি কোনও ধরনের অহেতুক সৌন্দর্য চর্চা বা আল্লাহর সৃষ্টিতে বিকৃতি আনা নয়। বরং জন্মগত বা পরবর্তী সময়ের সৃষ্ট ত্রুটি ও অপূর্ণতা দূর করার একটি মাধ্যম। নিম্নে এ বিষয়ে বিজ্ঞ আলেমদের ফতওয়া উল্লেখ করা হলো:
✪ শাইখ মুহাম্মদ ইবনে উসাইমিন (রহ.):
একবিংশ শতকের অন্যতম ইসলামি ফিকহ বিশেষজ্ঞ আল্লামা শাইখ মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আল উসাইমিন (রাহ.) [মৃত্যু: ২০০১ সাল] কে জিজ্ঞাসা করা হয়, টাকপড়া ব্যক্তির চুল প্রতিস্থাপন করা হয় মাথার পেছন থেকে চুল নিয়ে প্রয়োজনীয় স্থানে বসিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। এটা কি জায়েজ?
তিনি উত্তরে বলেন:
نَعَمْ يَجُوزُ؛ لِأَنَّ هَذَا مِنْ بَابِ رَدِّ مَا خَلَقَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ، وَمِنْ بَابِ إِزَالَةِ الْعَيْبِ، وَلَيْسَ هُوَ مِنْ بَابِ التَّجْمِيلِ أَوِ الزِّيَادَةِ عَلَى مَا خَلَقَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ، فَلَا يَكُونُ مِنْ بَابِ تَغْيِيرِ خَلْقِ اللَّهِ، بَلْ هُوَ مِنْ رَدِّ مَا نَقَصَ وَإِزَالَةِ الْعَيْبِ، وَلَا يَخْفَى مَا فِي قِصَّةِ الثَّلَاثَةِ النَّفَرِ الَّذِي كَانَ أَحَدُهُمْ أَقْرَعَ وَأَخْبَرَ أَنَّهُ يُحِبُّ أَنْ يَرُدَّ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَيْهِ شَعْرَهُ فَمَسَحَهُ الْمَلَكُ فَرَدَّ اللَّهُ عَلَيْهِ شَعْرَهُ فَأُعْطِيَ شَعْرًا حَسَنًا.
“হ্যাঁ, এটি জায়েজ। কারণ এটি আল্লাহ তাআলার সৃষ্টির স্বাভাবিক রূপ ফিরিয়ে দেওয়া এবং ত্রুটি দূর করার অন্তর্ভুক্ত, অতিরিক্ত কোনও সৌন্দর্যবর্ধন আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে অতিরিক্ত কিছু সংযোগ করার আওতায় পড়ে না। তাই এটি ‘আল্লাহর সৃষ্টি পরিবর্তন’ এর অন্তর্ভুক্ত হবে না। বরং এটি হলো যা কম ছিল তা পুনরুদ্ধার করা এবং ত্রুটি বা অপূর্ণতা দূর করা। এক্ষেত্রে তিন ব্যক্তির সেই বিখ্যাত ঘটনাটি প্রণিধানযোগ্য, যার মধ্যে একজন ছিলেন টাক মাথাওয়ালা। তিনি আল্লাহর কাছে এই দোয়াই করেছিলেন যেন আল্লাহ তাঁর মাথার চুল ফিরিয়ে দেন। এরপর ফেরেশতা তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলে আল্লাহ তাঁকে সুন্দর চুল দান করেন। (সহিহ বুখারি ও মুসলিম) [ফাতাওয়া উলামাইল বালাদিল হারাম (পৃষ্ঠা ১১৮৫)]
❑ জর্ডান ফতওয়া বোর্ড:
জর্ডানের ফতওয়া বোর্ডকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা উত্তরে বলেন,
زِرَاعَةُ الشَّعْرِ هِيَ عِبَارَةٌ عَنْ عَمَلِيَّةٍ تَجْمِيلِيَّةٍ يَتِمُّ فِيهَا زَرْعُ الشَّعْرِ فِي الْجِلْدِ، وَهِيَ لَيْسَتْ مِنْ تَغْيِيرِ خَلْقِ اللَّهِ تَعَالَى، بَلْ مِنَ الْمُعَالَجَةِ الَّتِي يُقْصَدُ بِهَا رَدُّ الْأَمْرِ إِلَى طَبِيعَتِهِ الَّتِي خَلَقَهُ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهَا
وَهَذِهِ الْقَضِيَّةُ مِنَ الْمَسَائِلِ الْمُعَاصِرَةِ الَّتِي ظَهَرَتْ بِسَبَبِ التَّطَوُّرِ الْعِلْمِيِّ وَالْمَعْرِفِيِّ، وَقَدْ قَرَّرَ الْفُقَهَاءُ أَنَّ الْأَصْلَ فِي الْأَشْيَاءِ الْإِبَاحَةُ، وَذَلِكَ عِنْدَ عَدَمِ وُجُودِ نَصٍّ أَوْ قَاعِدَةٍ كُلِّيَّةٍ تَقْتَضِي التَّحْرِيمَ، وَبِشَرْطِ أَنْ لَا يَكُونَ فِي الْأَمْرِ ضَرَرٌ أَوْ إِضْرَارٌ
فَإِذَا كَانَتْ عَمَلِيَّةُ زِرَاعَةِ الشَّعْرِ بِهَذِهِ الشُّرُوطِ فَلَا إِشْكَالَ فِيهَا شَرْعًا، جَاءَ فِي قَرَارِ مَجْمَعِ الْفِقْهِ الْإِسْلَامِيِّ الدَّوْلِيِّ رَقْمِ (173) لِعَامِ (2007م) بِشَأْنِ عَمَلِيَّاتِ التَّجْمِيلِ: «يَجُوزُ شَرْعًا إِجْرَاءُ الْجِرَاحَةِ التَّجْمِيلِيَّةِ الضَّرُورِيَّةِ وَالْحَاجِيَّةِ الَّتِي يُقْصَدُ مِنْهَا… إِصْلَاحُ الْعُيُوبِ الطَّارِئَةِ (الْمُكْتَسَبَةِ) مِنْ آثَارِ الْحُرُوقِ وَالْحَوَادِثِ وَالْأَمْرَاضِ وَغَيْرِهَا، مِثْلَ: زِرَاعَةِ الْجِلْدِ وَتَرْقِيعِهِ… وَزِرَاعَةِ الشَّعْرِ حَالَةَ سُقُوطِهِ خَاصَّةً لِلْمَرْأَةِ»
وَعَلَيْهِ؛ فَإِنَّ زِرَاعَةَ الشَّعْرِ لِشَخْصٍ مَا مِنْ شَعْرِهِ نَفْسِهِ جَائِزَةٌ، جَاءَ فِي قَرَارِ مَجْمَعِ الْفِقْهِ الْإِسْلَامِيِّ رَقْمِ (26) لِعَامِ (1988م): «يَجُوزُ نَقْلُ الْعُضْوِ مِنْ مَكَانٍ مِنْ جِسْمِ الْإِنْسَانِ إِلَى مَكَانٍ آخَرَ مِنْ جِسْمِهِ، مَعَ مُرَاعَاةِ التَّأَكُّدِ مِنْ أَنَّ النَّفْعَ الْمُتَوَقَّعَ مِنْ هَذِهِ الْعَمَلِيَّةِ أَرْجَحُ مِنَ الضَّرَرِ الْمُتَرَتِّبِ عَلَيْهَا، وَبِشَرْطِ أَنْ يَكُونَ ذَلِكَ لِإِيجَادِ عُضْوٍ مَفْقُودٍ أَوْ لِإِعَادَةِ شَكْلِهِ أَوْ وَظِيفَتِهِ الْمَعْهُودَةِ لَهُ، أَوْ لِإِصْلَاحِ عَيْبٍ أَوْ إِزَالَةِ دَمَامَةٍ تُسَبِّبُ لِلشَّخْصِ أَذًى نَفْسِيًّا أَوْ عُضْوِيًّا».
“হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট বা চুল প্রতিস্থাপন হলো মূলত একধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি, যার মাধ্যমে ত্বকে চুল রোপণ করা হয়। এটি আল্লাহ তাআলার সৃষ্টির পরিবর্তন নয়। বরং এর উদ্দেশ্য হলো সৃষ্টিকর্তার নির্ধারিত স্বাভাবিক রূপ ও বিন্যাসে তা ফিরিয়ে আনা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতির কল্যাণে এটি আজকের যুগের একটি নতুন মাসআলা বা সমসাময়িক বিষয় হিসেবে সামনে এসেছে। ফিকহবিদদের সাধারণ মূলনীতি হলো, “কোনও বিষয়ে যদি হারাম ঘোষণা করার মতো স্পষ্ট কোনও নস বা সার্বিক নীতিমালা না থাকে তবে তার মূল ভিত্তি হলো বৈধতা—শর্ত কেবল একটাই। তা হলো তাতে যেন কোনও ধরনের ক্ষতি বা অপকারিতা না থাকে। সুতরাং এই শর্তগুলো সাপেক্ষে চুল প্রতিস্থাপন করাতে শরিয়তে কোনও বাধা নেই। ২০০৭ সালের আন্তর্জাতিক ইসলামি ফিকহ অ্যাকাডেমির ১৭৩ নম্বর সিদ্ধান্তে প্লাস্টিক সার্জারি বা কসমেটিক সার্জারি সম্পর্কে বলা হয়েছে:
“জরুরি ও প্রয়োজনীয় প্লাস্টিক সার্জারি বা কসমেটিক সার্জারি শরিয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ। যেগুলোর উদ্দেশ্য হলো… অগ্নিদগ্ধ, দুর্ঘটনা, রোগবালাই বা অন্য কোনও কারণে সৃষ্ট আকস্মিক ত্রুটিগুলো সংশোধন করা; যেমন চামড়া গ্রাফটিং ও প্রতিস্থাপন করা… এবং চুল পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চুল প্রতিস্থাপন করা, বিশেষ করে নারীদের জন্য।” তাছাড়া নিজের শরীরের এক অংশ থেকে চুল এনে অন্য স্থানে প্রতিস্থাপন করাও সম্পূর্ণ জায়েজ। ১৯৮৮ সালের ইসলামি ফিকহ একাডেমির ২৬ নম্বর সিদ্ধান্তে বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে: “মানুষের শরীরের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অঙ্গ স্থানান্তর করা জায়েজ। তবে শর্ত হলো, এই অপারেশন থেকে প্রাপ্ত কল্যাণ এর সম্ভাব্য ক্ষতির চেয়ে বেশি হবে বলে নিশ্চিত হতে হবে। আর এর উদ্দেশ্য হতে হবে, কোনও হারানো অঙ্গ ফিরিয়ে আনা, তার পূর্বের স্বাভাবিক আকৃতি বা কার্যকারিতা পুনর্বহাল করা, কিংবা এমন কোনও ত্রুটি বা কুৎসিত রূপ দূর করা যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য মানসিক বা শারীরিক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।” [ফতোয়া নম্বর: ৩৫৮৪, তারিখ: ১৮-০৮-২০২০, শ্রেণি: পোশাক, সাজসজ্জা ও ছবি]
❑ দুটি জরুরি জ্ঞাতব্য:
১. টাক সমস্যার সমাধানে ওষুধ বা প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করায় শরিয়তে কোনও বাধা নেই। কারণ এগুলো বৈধ চিকিৎসারই অন্তর্ভুক্ত। তবে শর্ত হলো, ব্যবহৃত উপাদানগুলো যেন ক্ষতিকর বা নাপাক না হয়।
২. টাক ঢাকতে ইসলামের দৃষ্টিতে কৃত্রিমভাবে চুল লাগানো বা পরচুলা ব্যবহার করা সাধারণভাবে নিষিদ্ধ। পুরুষ-নারী সকলের জন্যই একই বিধান-উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন।
সারাংশ: হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট বা চুল প্রতিস্থাপন কোনও নিষিদ্ধ সৌন্দর্য চর্চা বা আল্লাহর সৃষ্টিতে বিকৃতি সাধন নয়; বরং এটি জন্মগত বা বাহ্যিক কোনও ত্রুটি ও অপূর্ণতা দূর করার একটি বৈধ চিকিৎসা পদ্ধতি। শরিয়তের মৌলিক নীতি এবং প্রখ্যাত ফতওয়া বোর্ড ও উলামায়ে কেরামের ঐকমত্য অনুযায়ী—প্রয়োজনীয় শর্ত সাপেক্ষে মাথা থেকে চুল নিয়ে তা প্রতিস্থাপন করায় শরিয়তে কোনও বাধা নেই। অনুরূপভাবে টাক সমস্যার সমাধানে ওষুধ বা প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করায় শরিয়তে কোনও বাধা নেই। তবে টাক ঢাকতে ইসলামের দৃষ্টিতে কৃত্রিমভাবে চুল লাগানো বা পরচুলা ব্যবহার করা হারাম। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক ও শরিয়ত সম্মতি পদ্ধতিতে আমাদের রোগব্যাধির চিকিৎসা, দৈহিক ত্রুটি দূর করা সহ সকল সমস্যার সমাধান করার তওফিক দান করুন এবং হারাম থেকে রক্ষা করুন। আমিন।
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬
গ্রন্থনায়: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব।