হার্ট বা হৃদয় আকৃতির চিহ্ন ব্যবহারের ইসলামি বিধান

সোশ্যাল মিডিয়া ও দৈনন্দিন জীবনে হার্ট বা হৃদয় আকৃতির চিহ্ন (♥) ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই চিহ্নের উৎস ও ব্যবহারের শরিয়তগত বিধান সম্পর্কে বিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য আলেমদের ফতওয়া ও মতামত নিচে তুলে ধরা হলো।
▪️ইসলাম সওয়াল ও জওয়াব (ইসলাম কিউএ)-এর ফতওয়া:
প্রশ্ন: আমি শুনেছি যে, আমরা—বিশেষ করে মেয়েরা—যে হৃদয় আকৃতির চিহ্নটি (♥) প্রচুর ব্যবহার করি। সেটি নাকি গ্রিকদের কোনো এক দেবতাকে নির্দেশ করে, যাকে তারা ‘ভালোবাসার দেবতা’ বলে থাকে। এখন সাজসজ্জা, অলংকার, ব্যাগ বা ঝুলন্ত কোনো শৌখিন বস্তুতে এই আকৃতিটি ব্যবহার করার বিধান কী?
উত্তর:
«لَا يَظْهَرُ لَنَا حَرَجٌ فِي اسْتِعْمَالِ الْأَشْكَالِ التَّعْبِيرِيَّةِ عُمُومًا، كَرَمْزِ “قَلْبِ الْحُبِّ” وَنَحْوِهِ مِنَ الْأَشْكَالِ الَّتِي تَرْمُزُ لِمَعَانٍ حَسَنَةٍ أَوْ لَا مَحْذُورَ فِيهَا، وَلَيْسَ فِي النُّصُوصِ الشَّرْعِيَّةِ مَا يَمْنَعُ مِنْ ذَلِكَ. وَالْكَلَامُ الْمَذْكُورُ عَنْ أَصْلِ هَذَا الشَّكْلِ لَا نَعْلَمُ لَهُ أَسَاسًا مِنَ الصِّحَّةِ، بَلِ الظَّاهِرُ أَنَّ هَذَا الشَّكْلَ مَأْخُوذٌ مِنْ شَكْلِ الْقَلْبِ الْحَقِيقِيِّ. وَاللَّهُ أَعْلَمُ.»
“আমাদের দৃষ্টিতে সাধারণভাবে যেকোনো অভিব্যক্তিমূলক চিহ্ন যেমন: ‘ভালোবাসার হার্ট’ বা এ জাতীয় চিহ্ন, যা ভালো অর্থ প্রকাশ করে এবং যাতে শরিয়তবিরোধী কিছু নেই—তা ব্যবহারে কোনো সমস্যা নেই। শরিয়তের কোনো দলিলে এটি নিষিদ্ধ হওয়ার প্রমাণও নেই। এর উৎস সম্পর্কে যা বলা হয়েছে, তার কোনো সঠিক ভিত্তি আমাদের জানা নেই। বরং আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়, এটি মানুষের বাস্তব হৃদপিণ্ডের আকৃতি থেকেই নেওয়া হয়েছে। আল্লাহই ভালো জানেন।” [প্রশ্ন নম্বর: ১৫৪১৯১, তারিখ: ০৮ রবিউস সানি ১৪৩২ হি. / ১৩ মার্চ ২০১১ খ্রিষ্টাব্দ]
▪️ইসলাম ওয়েব-এর ফতওয়া:
প্রশ্ন: হোয়াটসঅ্যাপে হার্ট বা হৃদয় আকৃতির ইমোজি ব্যবহার করা কি হারাম? এ বিষয়ে কি কোনো ফতওয়া আছে? এটি কি খ্রিষ্টানদের কোনো নিষিদ্ধ প্রথা?
উত্তর: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবিদের উপর। অতঃপর-
فَتُوجَدُ فَتْوَى لِأَهْلِ الْعِلْمِ ظَاهِرُهَا أَنَّهَا تُحَرِّمُ اسْتِعْمَالَ هَذَا الرَّمْزِ، كَمَا أَنَّ هُنَاكَ فَتْوَى أُخْرَى مُغَايِرَةً لَهَا تَرَى جَوَازَ اسْتِعْمَالِهِ، وَالَّذِي يَظْهَرُ لَنَا الْجَوَازُ، إِلَّا إِذَا اسْتُعْمِلَ فِي مَقْصَدٍ مُحَرَّمٍ شَأْنُهُ شَأْنُ كُلِّ الْوَسَائِلِ الْمُبَاحَةِ تُتَّخَذُ وَسِيلَةً إِلَى الْحَرَامِ، وَلَمْ نَقِفْ عَلَى كَلَامِ أَحَدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ ذَكَرَ أَنَّ رَمْزَ الْقَلْبِ الْمَوْجُودَ فِي مِثْلِ هَذِهِ الْبَرَامِجِ أَنَّهُ عَادَةٌ نَصْرَانِيَّةٌ. وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
“আলেমদের একাংশের ফতওয়ার বাহ্যিক বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, তারা এই প্রতীকটি ব্যবহার করা হারাম মনে করেন। আবার অন্য আলেমদের ফতওয়া রয়েছে যারা এটি ব্যবহার জায়েজ মনে করেন। আমাদের কাছেও এটি বৈধ বলেই প্রতীয়মান হয়। তবে যদি কোনো হারাম উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয় তাহলে তা নিষিদ্ধ হবে। কারণ যেকোনো বৈধ মাধ্যম হারামের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হলে হারাম হয়ে যায়। এই হৃদয় আকৃতির প্রতীকটি খ্রিষ্টানদের কোনো বিশেষ ধর্মীয় প্রথা—এমন কোনো বক্তব্য আমরা কোনো আলেমের কাছ থেকে পাইনি। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।”
(ফতোয়া নম্বর: ২৮৪৬৬৩, তারিখ: ১৯ রবিউস সানি ১৪৩৬ হি. / ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ইং)
▪️শাইখ ড. সুলাইমান আর রুহাইলি (বিখ্যাত দাঈ এবং মসজিদে কুবা, মদিনা মুনাওয়ারা-এর ইমাম ও খতিব) -এর অভিমত
প্রশ্ন: ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে হার্ট বা হৃদয়ের চিহ্ন ব্যবহার করার বিধান কী?
هَذِهِ الْعَلَامَةُ الَّتِي يَضَعُونَهَا -أَيِ الْقَلْبُ- لِأَنَّ الْمَحَبَّةَ مَحَلُّهَا الْقَلْبُ؛ مِنْ حَيْثُ الْأَصْلِ إِنْ كَانَتْ تُسْتَعْمَلُ فِيمَا يَجُوزُ، كَأَنْ يُرْسِلَ الرَّجُلُ ذَلِكَ لِزَوْجَتِهِ أَوْ نَحْوِ ذَلِكَ، فَهَذَا جَائِزٌ وَلَا إِشْكَالَ فِيهِ. أَمَّا اسْتِعْمَالُ هَذَا الرَّمْزِ فِيمَا بَيْنَ الرِّجَالِ، أَوْ فِيمَا بَيْنَ النِّسَاءِ بَعْضِهِنَّ مَعَ بَعْضٍ، فَأَرَى -وَاللَّهُ أَعْلَمُ- أَنَّهُ لَا يَلِيقُ؛ لَا أَقُولُ إِنَّهُ حَرَامٌ، وَلَكِنْ أَقُولُ إِنَّهُ لَا يَلِيقُ وَلَيْسَ مِنْ شَأْنِ أَهْلِ الْمُرُوءَاتِ، وَاجْتِنَابُهُ خَيْرٌ. أَمَّا إِذَا اسْتُعْمِلَ فِيمَا يَجُوزُ -كَمَا قُلْتُ- بِأَنْ يُرْسِلَ الرَّجُلُ لِامْرَأَتِهِ، أَوْ إِلَى أُمِّهِ، أَوْ إِلَى أُخْتِهِ، هَذِهِ الْعَلَامَةَ دَلَالَةً عَلَى الْمَحَبَّةِ؛ فَمَا يَظْهَرُ لِي -وَاللَّهُ أَعْلَمُ- أَنَّ فِي ذَلِكَ بَأْسًا.
“মানুষ সাধারণত এই চিহ্নটি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যবহার করে। কারণ হৃদপিণ্ডই ভালোবাসার স্থান। মূলনীতির ভিত্তিতে যদি এটি বৈধ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়—যেমন: স্বামী তার স্ত্রীকে পাঠাল—তাহলে এটি জায়েজ এবং এতে কোনো সমস্যা নেই। তবে পুরুষেরা একে অপরকে কিংবা নারীরা একে অপরকে এই চিহ্ন পাঠানোআমার মতে অনুচিত। আমি একে হারাম বলছি না। তবে এটি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের জন্য শোভনীয় নয় এবং এটি এড়িয়ে চলাই উত্তম। তবে যদি বৈধ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেমন: স্বামী স্ত্রীকে, ছেলে মাকে বা বোনকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য পাঠায়—তাহলে তাতে কোনো অসুবিধা আছে বলে আমার মনে হয় না। আল্লাহই ভালো জানেন।”
▪️সৌদি আরবের ফতওয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (লাজনাহ দায়িমাহ)-এর ফতওয়া:
– বিশেষ প্রেক্ষাপট: এই ফতোয়াটি সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণ হার্ট চিহ্ন ব্যবহার সংক্রান্ত নয়। বরং এটি একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রদান করা হয়েছে, যখন কাফের দেশে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবমাননার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া চলছিল এবং সেই সময় চাবির রিং, গেঞ্জি ও স্টিকারে “আমি ❤ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম” লেখার একটি বিশেষ ধারা দেখা যাচ্ছিল।
প্রশ্ন: জেদ্দা দাওয়াহ ও ইরশাদ সেন্টারের সদস্য শাইখ মুহাম্মদ বিন আতিয়্যাহ আল জাবিরি জানতে চেয়েছেন, বর্তমানে কিছু মানুষের মাঝে হৃদপিণ্ডের (হার্ট) আকৃতিতে তৈরি চাবির রিংয়ের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। যেহেতু হৃদপিণ্ড ভালোবাসার প্রতীক তাই এই রিংয়ের উপর লেখা থাকে: “আমি (হৃদপিণ্ডের চিহ্ন) রসুল” — যার অর্থ দাঁড়ায় “আমি রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ভালোবাসি।” রিংয়ের উল্টো পাশে লেখা থাকে: “হে আমার প্রিয় রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।” এছাড়াও গলায় ঝোলানোর লকেট এবং কোনো কোনো নারীর পোশাকে বুকের বাম পাশে একই ধরনের লেখা দেখা যাচ্ছে। শরিয়তের দৃষ্টিতে এর বিধান কী?
উত্তর:
وَبَعْدَ دِرَاسَةِ اللَّجْنَةِ لِلِاسْتِفْتَاءِ أَجَابَتْ بِأَنَّ عَمَلَ الشَّكْلِ الْمَذْكُورِ وَكِتَابَةَ الْعِبَارَةِ الْمَذْكُورَةِ عَلَى الْمَلَابِسِ وَالْمَيْدَالِيَاتِ وَنَحْوِهَا لَيْسَ مِنْ هَدْيِ سَلَفِ الْأُمَّةِ الَّذِينَ هُمْ أَفْضَلُ الْقُرُونِ وَأَشَدُّ تَعْظِيمًا وَحُبًّا لِلرَّسُولِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِمَّنْ جَاءَ بَعْدَهُمْ، كَمَا أَنَّ فِيهِ تَشَبُّهًا بِأَهْلِ الْفِسْقِ الَّذِينَ يَتَّخِذُونَ مِثْلَ هَذِهِ الرُّمُوزِ دَلَالَةً عَلَى حُبِّهِمْ وَعِشْقِهِمُ الْمُحَرَّمِ لِغَيْرِهِمْ، وَيَتَفَانَوْنَ فِيهِ مِنْ غَيْرِ الْتِفَاتٍ لِحُكْمِ الشَّرِيعَةِ الْمُطَهَّرَةِ فِيهِ، كَمَا أَنَّ الشَّكْلَ الْمَذْكُورَ يُفْهَمُ مِنْهُ أَيْضًا: أَنَّ حُبَّ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَحُبِّ غَيْرِهِ مِنَ الْمَخْلُوقِينَ، وَهَذَا غَلَطٌ كَبِيرٌ؛ لِأَنَّ مَحَبَّةَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاجِبَةٌ شَرْعًا، وَلَا يَتِمُّ الْإِيمَانُ إِلَّا بِهَا، أَمَّا مَحَبَّةُ غَيْرِهِ فَقَدْ تَكُونُ مَشْرُوعَةً، وَقَدْ تَكُونُ مُحَرَّمَةً، وَبِنَاءً عَلَى مَا تَقَدَّمَ فَإِنَّ كِتَابَةَ الْعِبَارَةِ الْمَذْكُورَةِ وَبَيْعَهَا وَشِرَاءَهَا وَاسْتِعْمَالَهَا لَا يَجُوزُ. وَبِاللهِ التَّوْفِيقُ.
“উক্ত বিষয়টি পর্যালোচনার পর স্থায়ী কমিটি এই মর্মে উত্তর দিচ্ছে যে—পোশাক, মেডেল বা এ জাতীয় বস্তুর উপর উক্ত হার্ট আকৃতি তৈরি করা এবং তাতে নির্দিষ্ট বাক্য লিখে রাখা উম্মতের পূর্বসূরি সালাফদের আদর্শ নয়। অথচ তারা পরবর্তী সকল প্রজন্মের তুলনায় সর্বশ্রেষ্ঠ যুগের অধিকারী ছিলেন এবং রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি সর্বাধিক সম্মান ও ভালোবাসা পোষণ করতেন। এর পাশাপাশি এতে ফাসেকদের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে, যারা এই জাতীয় প্রতীককে হারাম প্রেম ও কামাবেগ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে এবং শরীআতের বিধানের পরোয়া না করেই তাতে মগ্ন থাকে। আরও একটি সমস্যা হলো, এই প্রতীক থেকে এমন ধারণা তৈরি হতে পারে যে, রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর প্রতি ভালোবাসা অন্য যেকোনো সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসার মতোই সাধারণ একটি বিষয়। এটি এক মারাত্মক ভুল। কারণ রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ভালোবাসা শরিয়তে ওয়াজিব এবং এটি ছাড়া ইমান পূর্ণ হয় না। পক্ষান্তরে অন্য কারও প্রতি ভালোবাসা কখনো বৈধ, কখনো নিষিদ্ধ হতে পারে। অতএব, উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে এই বাক্যগুলো লেখা, এ জাতীয় দ্রব্যাদি কেনা-বেচা করা এবং তা ব্যবহার করা জায়েজ নয়। আল্লাহই তাওফিক দানকারী।”
ইলমি গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি:
সদস্য: বকর আবু যাইদ, সালেহ আল ফাওযান, আব্দুল্লাহ বিন গুদাইয়ান।
প্রধান: আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ.)।
সারাংশ: হার্ট বা হৃদয় আকৃতির চিহ্ন ব্যবহারের বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইসলাম কিউএ ও ইসলাম ওয়েবসহ অধিকাংশ আলেম মনে করেন, সাধারণ ক্ষেত্রে এই চিহ্ন ব্যবহার জায়েজ। তবে হারাম উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হলে তা নিষিদ্ধ হয়ে যায়। শাইখ ড. রুহাইলি মনে করেন, স্বামী-স্ত্রী বা মাহরামদের মধ্যে ভালোবাসা প্রকাশে এটি ব্যবহার করা বৈধ। তবে সমলিঙ্গের মধ্যে ব্যবহার শোভনীয় নয়। অন্যদিকে, লাজনাহ দায়িমার ফতোয়াটি বিশেষভাবে সেই প্রচলনকে নিষিদ্ধ করেছে, যেখানে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে চাবির রিং বা পোশাকে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। কারণ এতে সালাফদের আদর্শ থেকে বিচ্যুতি, ফাসেকদের সাথে সাদৃশ্য এবং নবীপ্রেমের মর্যাদাকে সাধারণ প্রেমের স্তরে নামিয়ে আনার আশঙ্কা রয়েছে। আল্লাহই ভালো জানেন ‌।
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬
গ্রন্থনায়:আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।
Share: