প্রশ্ন: একজন স্বামী আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য স্ত্রীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্ত্রী তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন, মানসিক কষ্ট দেন, এমনকি নিজের মা-বাবার সামনেও অপমান করেন। এই অবস্থায় স্বামী কি ধৈর্য ধরে সদাচরণ চালিয়ে যাবেন, নাকি অন্য কোনো পদক্ষেপ নেবেন?
উত্তর: একটি প্রশান্তিময় ও সুখসমৃদ্ধ দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই একে অপরের প্রতি কিছু দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে। এক পক্ষ তার দায়িত্ব-কতর্ব্য থেকে সরে গেলেই সুখ-শান্তি বিদায় নেয় এবং শুরু হয় নানা সমস্যা। কখনো তা জটিল ও গুরুতর সমস্যার রূপ নেয়। তবে সমস্যা যতই হোক ইসলামে তার সমাধানের জন্য মীমাংসার পথও দেখানো হয়েছে। বিষয়টি সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:
❑ স্ত্রীর প্রতি স্বামীর দায়িত্ব-কর্তব্য:
স্ত্রীর প্রতি স্বামীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য হলো, তার সাথে সঙ্গে সদাচরণ করা।
✪ আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ ۚ فَإِن كَرِهْتُمُوهُنَّ فَعَسَىٰ أَن تَكْرَهُوا شَيْـًٔا وَيَجْعَلَ اللَّهُ فِيهِ خَيْرًا كَثِيرًا
“তোমরা তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো। যদি তোমরা তাদের অপছন্দ করো তবে হতে পারে তোমরা এমন কিছু অপছন্দ করছ, যার মধ্যে আল্লাহ অনেক কল্যাণ রেখেছেন।” [সুরা নিসা: ১৯]
✪ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ وَأَنَا خَيْرُكُمْ لِأَهْلِي
“তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম। আর আমি আমার পরিবারের কাছে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।” [জামে তিরমিজি: ৩৮৯৫] হাদিসটি সহিহ।
✪ দুনিয়ায় এমন কোনো মানুষ নেই যার কোনো ত্রুটি নেই। তাই স্বামীরও উচিত শুধু স্ত্রীর ভুলত্রুটিগুলো না খুঁজে তার ভালো গুণগুলোর দিকেও নজর দেওয়া। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
لَا يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةً، إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا آخَرَ
“কোনো মুমিন পুরুষ যেন কোনো মুমিন নারীকে ঘৃণা না করে। তার একটি স্বভাব অপছন্দ হলে অন্য একটি স্বভাবে সে সন্তুষ্ট হবে।” [সহিহ মুসলিম: ১৪৬৯]
❑ স্বামীর প্রতি স্ত্রীর দায়িত্ব-কর্তব্য:
সংসারটা মূলত দুজনের মিছিলেই সুন্দর হয়। তাই স্বামীর যেমন দায়িত্ব আছে, স্ত্রীর দিক থেকেও রয়েছে বেশ কিছু কর্তব্য। বিশেষ করে, স্বামীর সাথে সুন্দর আচরণ করা, তাকে কোনোভাবেই কষ্ট না দেওয়া এবং শরিয়তসম্মত বিষয়ে তার আনুগত্য বজায় রাখা একজন স্ত্রীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
✪ আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ
“নারীদের তেমনই ন্যায়সংগত অধিকার আছে, যেমন আছে তাদের ওপর (পুরুষদের) অধিকার।” [সুরা বাকারা: ২২৮]
✪ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
أَلَا إِنَّ لَكُمْ عَلَى نِسَائِكُمْ حَقًّا وَلِنِسَائِكُمْ عَلَيْكُمْ حَقًّا
“জেনে রাখো, তোমাদের স্ত্রীদের ওপর তোমাদের অধিকার আছে। আর তোমাদের ওপরও তোমাদের স্ত্রীদের অধিকার আছে।” [জামে তিরমিজি: ১১৬৩, ইমাম তিরমিজি (রহ.) হাদিসটিকে হাসান সহিহ বলেছেন]
✪ সৎকর্মপরায়ণ স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন:
فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللَّهُ
“সুতরাং সৎকর্মপরায়ণ নারীরা অনুগত এবং আল্লাহর হেফাজতে স্বামীর অনুপস্থিতিতে (তার অধিকার) রক্ষাকারী।” [সুরা নিসা: ৩৪]
✪ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا، وَصَامَتْ شَهْرَهَا، وَحَفِظَتْ فَرْجَهَا، وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا، قِيلَ لَهَا: ادْخُلِي الْجَنَّةَ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ شِئْتِ
“নারী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, রমজান মাসের রোজা রাখে, নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে, তাহলে তাকে বলা হবে, ‘জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করো।” [মুসনাদে আহমদ: ১৬৬১, আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
❑ স্বামীকে কষ্ট দেওয়া হারাম:
সংসারটা তো আর একটা ছাদের নিচে শুধু থাকা নয়, এটা মন আর শ্রদ্ধার একটা মেলবন্ধন। যেখানে স্বামী-স্ত্রীর বোঝাপড়াটা মধুর হয়, সেখানে সম্মান আর আদবটাই সবচেয়ে বড় কথা। স্ত্রীর দায়িত্বের একটা বড় জায়গা জুড়ে থাকে স্বামীর সাথে সম্মানজনক আচরণ করা, সবসময় নম্রতা আর ভদ্রতা বজায় রেখে চলা। এই ছোট ছোট মায়াবী আচরণগুলোই একটা সাধারণ সংসারকে শান্তিময় জান্নাত বানিয়ে তোলে। তার কথাবার্তা ও আচরণ দ্বারা যেন স্বামী কোনওভাবেই কষ্ট না পান সে দিকটি মাথায় রাখা স্ত্রীর জন্য আবশ্যক।
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
لَا تُؤْذِي امْرَأَةٌ زَوْجَهَا فِي الدُّنْيَا إِلَّا قَالَتْ زَوْجَتُهُ مِنَ الْحُورِ الْعِينِ: لَا تُؤْذِيهِ، قَاتَلَكِ اللَّهُ، فَإِنَّمَا هُوَ عِنْدَكِ دَخِيلٌ، يُوشِكُ أَنْ يُفَارِقَكِ إِلَيْنَا
“কোনো নারী দুনিয়াতে তার স্বামীকে কষ্ট দিলে জান্নাতে তার স্ত্রী ডাগরচক্ষু হুরদের একজন বলে, ‘তাকে কষ্ট দিয়ো না, আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুন। সে তো তোমার কাছে সাময়িক অতিথি মাত্র, শিগগিরই তোমাকে ছেড়ে আমাদের কাছে চলে আসবে।” [জামে তিরমিজি: ১১৭৪; সুনানে ইবনে মাজাহ: ২০১৪, ইমাম তিরমিজি (রহ.) হাদিসটিকে হাসান বলেছেন। আর আলবানি (রহ.) সহিহ বলেছেন]
❑ স্ত্রী খারাপ আচরণ করলে স্বামীর করণীয়:
স্ত্রী কোনো খারাপ আচরণ করলে তাতে সঙ্গে সঙ্গে রেগে না গিয়ে যথাসম্ভব ধৈর্য ধরে থাকার চেষ্টা করা উচিত। আর মন্দের জবাব সবসময় উত্তম আচরণ দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করাই হলো বুদ্ধিমত্তার কাজ, যা পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত করে দেয়।
✪ ১. ধৈর্য ধারণ করা:
আল্লাহ তায়ালা বলেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ
“হে মুমিনগণ, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” [সুরা বাকারা: ১৫৩]
✪ আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا، فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ، وَإِنَّ أَعْوَجَ شَيْءٍ فِي الضِّلَعِ أَعْلَاهُ، فَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ، وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ، فَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا»
“তোমরা নারীদের সাথে উত্তম আচরণ করার ব্যাপারে আমার উপদেশ গ্রহণ করো। কেননা নারী জাতিকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং পাঁজরের হাড়ের মধ্যে ওপরের অংশটি সবচেয়ে বেশি বাঁকা। তুমি যদি তা সোজা করতে যাও, তবে তা ভেঙে ফেলবে। আর যদি যেভাবে আছে সেভাবে ছেড়ে দাও, তবে তা সবসময় বাঁকাই থেকে যাবে। অতএব, তোমরা নারীদের সাথে ভালো ব্যবহারের উপদেশ মেনে চলো।” [সহিহ বুখারি: ৩৩৩১ এবং সহিহ মুসলিম: ১৪৬৮]
এই হাদিসে ইসলামে নারীর মর্যাদা এবং তাদের সাথে অত্যন্ত ধৈর্য ও কোমলতার সাথে আচরণ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সৃষ্টিগত পার্থক্যের কারণে তাদের ওপর জোর-জুলুম বা অতিরিক্ত কড়াকড়ি না করে ভালোবাসা ও সহনশীলতার মাধ্যমে দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
✪ ২. উত্তম আচরণ দ্বারা মন্দ আচরণের জবাব দেওয়া:
মহান আল্লাহ বলেন,
وَلَا تَسْتَوِي الْحَسَنَةُ وَلَا السَّيِّئَةُ ۚ ادْفَعْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ فَإِذَا الَّذِي بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ عَدَاوَةٌ كَأَنَّهُ وَلِيٌّ حَمِيمٌ
“ভালো ও মন্দ সমান নয়। তুমি উত্তম আচরণ দিয়ে মন্দকে প্রতিহত করো। তখন দেখবে তোমার সঙ্গে যার শত্রুতা ছিল, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে গেছে।” [সুরা ফুসসিলাত: ৩৪]
❑ সমস্যা বাড়লে পারিবারিক মধ্যস্থতা:
সংসারের চাকা সচল রাখতে গেলে ভুল বোঝাবুঝি বা মতবিরোধ হতেই পারে। কিন্তু তাই বলে তো আর দূরত্ব বাড়িয়ে চলা সমাধান নয়। সমস্যা যখন বাড়তির দিকে যায় তখন পরিবারের মুরব্বি বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে মধ্যস্থতার চেষ্টা করা দরকার। আসল ধৈর্য মানে সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া বা মুখ ফিরিয়ে থাকা নয়; বরং ঠাণ্ডা মাথায় তার সঠিক সমাধান খোঁজা। আর যদি নিজেদের চেষ্টায় তা মিটমাট না হয় তবে আল্লাহ তায়ালাই তো মীমাংসার সুন্দর পথ বাতলে দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلَاحًا يُوَفِّقِ اللَّهُ بَيْنَهُمَا ۗ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا خَبِيرًا
“যদি তোমরা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা করো তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিশ পাঠাও। তারা দুজন মীমাংসা চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মিল করিয়ে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সম্যক অবগত।” [সুরা নিসা: ৩৫]
❑ শেষ উপায়: সদ্ভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ
এত চেষ্টার পরও যদি কোনোভাবেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব না হয় তবে ইসলাম বিচ্ছেদেরও সুনির্দিষ্ট সুযোগ বা পথ খোলা রেখেছে। তবে এটা কোনো তাড়াহুড়ো করে নেওয়া সিদ্ধান্ত নয় বরং একদম শেষ উপায়। এ বিষয়ে আল্লাহ তাআলা বলেছেন:
فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ
“হয় সদ্ভাবে স্ত্রীকে রেখে দেওয়া, নয়তো সদয়ভাবে ছেড়ে দেওয়া।” [সুরা বাকারা: ২২৯]
কেননা দাম্পত্য সম্পর্কের মৌলিক উদ্দেশ্য হলো প্রশান্তি অর্জন। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُمْ مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُمْ مَوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
“তাঁর নিদর্শনাবলির একটি হলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে।” [সুরা রুম: ২১]
এই প্রশান্তি বিদায় নিলে দাম্পত্য জীবনের মৌলিক উদ্দেশ্যই ব্যাহত হয়। তাই হয় সুন্দরভাবে দাম্পত্য জীবন চালিয়ে যাবে নতুবা সুন্দর পন্থায় বিবাহ বিচ্ছেদ করবে। সব মিলিয়ে কথা হলো, স্বামী সবসময় ধৈর্য ধরে স্ত্রীর সাথে ভালো ব্যবহার বজায় রাখবেন। সুযোগ বুঝে ঠাণ্ডা মাথায় স্ত্রীর সাথে খোলামেলা কথা বলবেন এবং সবার সামনে অপমানের বিষয়টি নিয়ে নিজের সীমানাটাও স্পষ্ট করে দেবেন। অন্যদিকে স্ত্রীর দায়িত্বও কম নয়; তারও উচিত স্বামীর সাথে সদাচরণ করা এবং তাকে কষ্ট না দেওয়া। এতকিছুর পরও যদি সমাধান না আসে, তবে দুই পরিবারের বিচক্ষণ ও দ্বীনদার কোনো ব্যক্তি বা যোগ্য আলেমের মধ্যস্থতা নেওয়া যেতে পারে। আর বিচ্ছেদ তো কেবল তখনই ভাবার বিষয় যখন সম্পর্কের উন্নতির সবকটি দরজাই চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। আল্লাহু আলাম।
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব।