পুত্রবধূ ও শ্বশুর-শাশুড়ির পারস্পরিক অধিকার আচরণ এবং দায়িত্ব বিষয়ে শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ বিধিবিধান

প্রশ্ন: যৌথ পরিবারে ছেলের বউয়ের সঙ্গে শ্বশুরের আচরণ কেমন হবে? ছেলের বউ কি তাঁর কথামতো চলতে বাধ্য? ছেলের বউয়ের শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি কতটুকু দায়িত্ব-কর্তব্য আছে? স্বামীর হক আদায় করতে গিয়ে শ্বশুর-শাশুড়িকে খেতে দিতে দেরি হলে কি বউকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে? শ্বশুর কি কাজের ভুলত্রুটির জন্য ছেলের বউকে যা ইচ্ছা বলতে পারেন?
উত্তর: নিম্নে উপর্যুক্ত প্রশ্নসমূহের আলোকে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে পুত্রবধূর সম্পর্ক এবং পারস্পরিক অধিকার ও দায়িত্ব-কর্তব্য বিষয়ে সংক্ষেপে শরিয়তের বিধিবিধান আলোচনা করা হলো:
❑ ১. পুত্রবধূর জন্য শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা ও আনুগত্য কি আবশ্যক?
মা-বাবার সেবা ও দেখাশোনার মূল দায়িত্ব তাঁদের নিজ সন্তানের। শরিয়তের দৃষ্টিতে শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমত করা পুত্রবধূর ওপর ফরজ বা ওয়াজিব নয়। তবে তাঁদের প্রতি আন্তরিকতাপূর্ণ ও সুন্দর আচরণ করা, সম্মান জানানো এবং সাধ্যমতো সহযোগিতা করা সদ্ব্যবহার ও উৎকৃষ্ট চরিত্রের পরিচয়। এতে পরিবারে শান্তি বৃদ্ধি পায় এবং স্বামীর প্রতিও অনুগ্রহ করা হয়। এই সদাচরণের জন্য মহান আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দেবেন, ইনশাআল্লাহ।
স্ত্রীর ওপর সবচেয়ে বড় হক হলো স্বামীর আনুগত্য করা—যদি তা শরিয়তসম্মত নির্দেশ হয়। তাই স্বামী স্ত্রীকে যেসব আদেশ বা নিষেধ করবেন, তা মেনে চলা আবশ্যক; যতক্ষণ না তা শরিয়তবিরোধী, সাধ্যের অতীত কিংবা ক্ষতিকর হয়। তবে স্বামীর পিতামাতা, ভাইবোন বা পরিবারের অন্য কারও নির্দেশ মানা স্ত্রীর ওপর পৃথকভাবে শরিয়ত নির্ধারিত আবশ্যক কোনো দায়িত্ব নয়। তা সত্ত্বেও, শ্বশুর-শাশুড়ি পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ ও সম্মানিত ব্যক্তি। সে হিসেবে সামাজিক সৌহার্দ্য রক্ষা, স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা এবং বৈবাহিক জীবনের সহযোগিতার অংশ হিসেবে তাঁদের যথাসম্ভব সেবা-শুশ্রূষা করা নিঃসন্দেহে উত্তম ও প্রশংসনীয় আচরণ। তা ছাড়া, আজ যিনি পুত্রবধূ, মহান আল্লাহর ইচ্ছায় ভবিষ্যতে তিনিও শাশুড়ি হতে পারেন কিংবা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে অন্যের স্নেহ ও সেবার মুখাপেক্ষী হতে পারেন। তাই এই সুন্দর সামাজিক ও পারিবারিক সংস্কৃতি বজায় থাকলে ভবিষ্যতে তিনি নিজেও এর সুফল লাভ করবেন। ফলে এ জাতীয় কল্যাণকর আচরণ থেকে দূরে না সরে তা বজায় রাখার আন্তরিক চেষ্টা করা উচিত।
✪ ইসলামে বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান ও শ্রদ্ধা করার স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيُوَقِّرْ كَبِيرَنَا»
“সে আমাদের দলভুক্ত নয়, যে আমাদের ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের সম্মান করে না।” [সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৯১৯, হাদিসটি সহিহ]
✪ তবে দ্বীনবিরোধী বা অন্যায় কোনও আদেশ কারও নিকট থেকেই মানা যাবে না। রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«لَا طَاعَةَ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ، إِنَّمَا الطَّاعَةُ فِي الْمَعْرُوفِ»
“আল্লাহর অবাধ্যতায় কোনও আনুগত্য নেই; আনুগত্য কেবল ন্যায়সঙ্গত বিষয়ে।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭২৫৭, হাদিসটি সহিহ]
❑ ২. পুত্রবধূর প্রতি শ্বশুর-শাশুড়ির আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
পুত্রবধূ যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আন্তরিকতার সঙ্গে শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করবেন, তেমনি তাঁদেরও উচিত পুত্রবধূর এই খেদমতের জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং তাঁর জন্য দোয়া করা।
✪ রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«لَا يَشْكُرُ اللَّهَ مَنْ لَا يَشْكُرُ النَّاسَ»
“যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।” [সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৮১, হাদিসটি সহিহ; সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৯৫৫]
আর গৃহস্থালি কাজের ক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি-বিচ্যুতি হলে শ্বশুর-শাশুড়ি তাঁকে যা খুশি তা-ই বলতে পারেন না। বরং তাঁদের ওপর আবশ্যক হলো ভদ্র, মার্জিত ও সংযত আচরণ করা। কোনও ভুল চোখে পড়লে তা রাগ না দেখিয়ে স্নেহ ও নম্রতার সঙ্গে বুঝিয়ে বলা উচিত; যা উৎকৃষ্ট চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ।
✪ রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«لَيْسَ الْمُؤْمِنُ بِالطَّعَّانِ وَلَا اللَّعَّانِ وَلَا الْفَاحِشِ وَلَا الْبَذِيءِ»
“মুমিন কখনো খোঁটাদানকারী, অভিশাপকারী, অশ্লীলভাষী বা কটুভাষী হয় না।” [সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৯৭৭, হাদিসটি সহিহ]
✪ তিনি আরও বলেছেন:
«إِنَّ الرِّفْقَ لَا يَكُونُ فِي شَيْءٍ إِلَّا زَانَهُ، وَلَا يُنْزَعُ مِنْ شَيْءٍ إِلَّا شَانَهُ»
“কোমলতা যে বিষয়েই থাকুক, তা তার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে; আর যা থেকে তা তুলে নেওয়া হয়, তাকে তা কুৎসিত করে ফেলে।” [সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৯৪, হাদিসটি সহিহ]
শ্বশুর-শাশুড়ির এমন মার্জিত ব্যবহারে পুত্রবধূর মন ভালো থাকে এবং তিনি পরিবারের দেখাশোনায় আরও আনন্দ ও উৎসাহ বোধ করেন। পক্ষান্তরে, অনর্থক কষ্টদায়ক কথা বলা বা রাগ দেখানো তাঁর মনকে ব্যথিত করে এবং কাজের প্রতি আগ্রহ নষ্ট করে দেয়।
❑ ৩. শ্বশুর-শাশুড়ি পুত্রবধূর উপর অত্যাচার করলে করণীয়:
মনে রাখা কতর্ব্য যে, অনেক সময় বার্ধক্যজনিত কারণে বয়োবৃদ্ধদের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে থাকে না। আবার অনেক ক্ষেত্রে দ্বীনি জ্ঞানের অভাব কিংবা পারিপার্শ্বিক অভ্যাসের কারণে অনেক সময় কঠিন কথা বা কষ্টদায়ক আচরণ করে ফেলেন। এ ক্ষেত্রে পুত্রবধূর কর্তব্য হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় যথাসম্ভব পরম ধৈর্যের পরিচয় দেওয়া এবং তা ক্ষমা করে দেওয়া। মুখের ওপর অনর্থক পাল্টা জবাব না দেওয়াই উত্তম। কিন্তু প্রয়োজনবোধে কোনও বিষয়ে ব্যাখ্যা বা উত্তর দিতে হলে নম্রতা ও আদব রক্ষা করে বলা যায়; যা উত্তম চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। এতে ইনশাআল্লাহ আখিরাতে মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ সম্মান ও উত্তম প্রতিদান মিলবে।
✪ পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ধৈর্য ও ক্ষমার ফজিলত সম্পর্কে বলেছেন:
«وَلَمَن صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذٰلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الْأُمُورِ»
“আর যে ধৈর্য ধারণ করে এবং ক্ষমা করে, নিশ্চয় তা দৃঢ়সংকল্পের কাজের অন্তর্ভুক্ত।” [সুরা শুরা: ৪৩]
✪ অন্যায়ের জবাবে সৎ ও উত্তম আচরণ করার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:
«ادْفَعْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ فَإِذَا الَّذِي بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ عَدَاوَةٌ كَأَنَّهُ وَلِيٌّ حَمِيمٌ»
“তুমি মন্দের মোকাবিলা করো তা দিয়ে, যা উত্তম। ফলে তোমার ও যার মধ্যে শত্রুতা রয়েছে, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে যাবে।” [সুরা ফুসসিলাত/সুরা হা-মীম সেজদাহ: ৩৪]
তবে শ্বশুর-শাশুড়ি যদি অন্যায়ভাবে অতিরিক্ত অত্যাচার ও নির্যাতন চালান, নানাভাবে হেনস্থা বা অপমান-অপদস্থ করেন এবং তা পুত্রবধূর ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করে যায় তাহলে সে ক্ষেত্রে নিজের মান-সম্মান ও মানসিক-শারীরিক নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি স্বামীর কাছে আলাদা বাসস্থানের দাবি জানাতে পারেন। শরিয়ত স্ত্রীকে স্বামীর সাধ্যানুযায়ী পৃথক আবাসস্থল পাওয়ার পূর্ণ অধিকার দিয়েছে।
✪ মহাগ্রন্থ কুরআনে আল্লাহ তাআলা সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীর বাসস্থানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন:
«أَسْكِنُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ سَكَنْتُمْ مِنْ وُجْدِكُمْ وَلَا تُضَارُوهُنَّ لِتُضَيِّقُوا عَلَيْهِنَّ»
“তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেমন স্থানে বসবাস করো, তাদেরও সেরূপ স্থানে বাস করতে দাও; আর তাদের কষ্ট দিয়ে সংকটে ফেলবে না।” [সুরা ত্বলাক: ৬]
✪ এছাড়া শরিয়তের সার্বিক একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি হলো কারও ক্ষতি না করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া। রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«لَا ضَرَرَ وَلَا ضِرَارَ»
“কোনও ক্ষতি করা যাবে না এবং ক্ষতি সহ্যও করা যাবে না।” [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৩৪০, হাদিসটি সহিহ]
অতএব, নির্যাতন সহ্যসীমা অতিক্রম করলে কিংবা দ্বীন ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে স্বামীর কাছে পৃথক আবাসের আবেদন করা সম্পূর্ণরূপে শরিয়তসম্মত অধিকার।
➧ খাবার বা বিশেষ কোনও সেবা দিতে দেরি হলে:
স্বামীর হক আদায় করতে গিয়ে কিংবা কোনও জরুরি প্রয়োজনে কখনো শ্বশুর-শাশুড়িকে খাবার, ওষুধ বা বিশেষ কোনও সেবা দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেলে পুত্রবধূ গুনাহগার হবেন না, ইনশাআল্লাহ। কারণ তিনি ইচ্ছা করে তা করেননি। তবে ইচ্ছা করে অবহেলা করা বা কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যে এমনটি করা গুনাহের কাজ এবং উত্তম চরিত্রের পরিপন্থী এবং গুনাহের কাজ। বড়দের প্রতি বেয়াদবিও বটে। তাই পুত্রবধূ সময়মতো তাদেরকে খাবার দেওয়ার এবং তাঁদের প্রয়োজন পূরণ করার যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন তাদেরকে। কোনো কারণে বিলম্ব হয়ে গেলে বিনয়ের সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করবেন। এটি একজন আদর্শ গৃহিণীর পরিচায়ক।
❑ ৪. শ্বশুরের সামনে পুত্রবধূর পর্দা ফরজ নয়:
পর্দার ক্ষেত্রে শ্বশুর হলেন পুত্রবধূর জন্য তার জন্মদাতা পিতার মতোই মাহরাম (যার সঙ্গে বিয়ে চিরতরে হারাম)। সুতরাং তার সামনে পর্দা করা ফরজ নয়।
সুতরাং শালীনতা বজায় রেখে তার সামনে যাওয়া, প্রয়োজনে তার শরীর স্পর্শ করা, তার সাথে দূরে কোথাও যাওয়া, এক ঘরে অবস্থান করা জায়েজ। আল্লাহ তাআলা নারীদের যাঁদের সামনে সৌন্দর্য প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একজন হল, শ্বশুর।
✪ মহান আল্লাহ বলেন,
«أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاءِ بُعُولَتِهِنَّ»
“অথবা তাদের পিতা কিংবা তাদের স্বামীদের পিতা…” [সুরা নুর: ৩১]
তা সত্ত্বেও একজন নারী যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও ফিতনা থেকে বাঁচতে সর্বদা নিজের প্রতি খেয়াল রাখবেন শালীন পোশাক ও মার্জিত আচরণ করবেন। এটাই তার জন্যই কল্যাণকর। তবে শ্বশুর যদি ফাসেক প্রকৃতির হয় এবং পুত্রবধূ তার থেকে ফিতনা বা অনিষ্টের আশঙ্কা করে তাহলে অবশ্যই তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখবে। অন্যান্য মাহরাম পুরুষদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
❑ ৫. যৌথ পরিবারে স্বামীর ভূমিকা ও দায়িত্ব:
যৌথ পরিবারে স্বামীর ওপর দ্বিমুখী দায়িত্ব অর্পিত থাকে—একদিকে মা-বাবার প্রাপ্য হক আদায় করা, অন্যদিকে স্ত্রী যেন কোনো অন্যায়ের শিকার না হন সেদিকে পূর্ণ খেয়াল রাখা। স্ত্রী যদি পরিবারের কারও আচরণে কষ্ট পান, তবে স্বামীর উচিত অত্যন্ত বিচক্ষণতা, ইনসাফ ও হিকমতের সঙ্গে বিষয়টি সমাধান করা। প্রয়োজনে স্ত্রীর জন্য পৃথক ও নিরাপদ বসবাসের ব্যবস্থা করা শরিয়তসম্মত এবং অধিকাংশ আলেমের মতে তা স্ত্রীর একটি প্রাপ্য অধিকারও বটে।
✪ আল্লাহ তাআলা কুরআনে নির্দেশ দিয়েছেন:
«أَسْكِنُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ سَكَنْتُمْ مِنْ وُجْدِكُمْ وَلَا تُضَارُوهُنَّ لِتُضَيِّقُوا عَلَيْهِنَّ»
“তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেমন স্থানে বসবাস করো, তাদেরও সেরূপ স্থানে বাস করতে দাও; আর তাদের কষ্ট দিয়ে সংকটে ফেলবে না।” [সুরা ত্বলাক: ৬]
তবে একজন বুদ্ধিমতী ও দ্বীনদার নারীর উচিত স্বামীর আর্থিক সামর্থ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সর্বাবস্থায় স্বামীকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করা। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ ও তৌফিক দান করুন। আমিন।
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব।
Share: