কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

মহিলাদের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ কি জায়েজ যদি সেনাবাহিনীর সৈনিক প্রয়োজন হয়

◈ প্রশ্ন: মহিলাদের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ কি জায়েজ যদি সেনাবাহিনীর সৈনিক প্রয়োজন হয়?

উত্তর:

মহিলাদেরকে কোনো অবস্থায় সৈনিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া (Recruiting) জায়েজ নাই। অবশ্য তারা যদি আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পানি পান করানোর উদ্দেশ্যে সৈনিকদের সাথে বের হয় তাহলে তাতে অসুবিধা নেই। কিছু কিছু মহিলা (মাহরাম সহকারে) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে যুদ্ধে গিয়েছিলেন পানির ব্যবস্থা, আহতদের ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ ও সেবা-শুশ্রুষা করার উদ্দেশ্যে।
কিন্তু তাদেরকে সৈনিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া জায়েজ নাই। এটা কাফেরদের কাজ; মুসলিমদের কাজ নয়। যুদ্ধ-শান্তি কোনো অবস্থায় মহিলাদেরকে সৈনিক বানানো জায়েজ নাই। মহিলারা পর্দায় থাকবে। তারা দুর্বল। তারা ধৈর্য, দৃঢ়তা ও শক্তিমত্তায় পুরুষদের মত ক্ষমতাশীল নয়।
তারা দুর্বল হওয়ায় তাদের দ্বারা মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হয় না। হাদিসে এসেছে, “সে জাতী সফল হবে না যারা তাদের দায়িত্ব নারীদের হাতে অর্পণ করেছে।” এটা সকল প্রকার দায়িত্বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অবশ্য কেবল নারীদের সাথে সম্পৃক্ত বিষয় হলে ভিন্ন কথা। কেবল মহিলা সংক্রান্ত বিষয়ে তাদেরকে দায়িত্বশীল বানানো হলে তাতে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু তারা পুরুষদের উপর কর্তৃত্ব করবে বা পুরুষদের সাথে অংশ গ্রহণ করবে বা পুরুষদের সাথে মিলেমিশে থাকবে কিংবা তারা পুরুষদের কাজগুলো সম্পাদন করবে…এটা বৈধ নয়।

জিহাদ, অস্র ধারণ, যুদ্ধ করা এগুলো পুরুষদের কাজ। মহিলারা যদি এগুলো করে তাহলে তারা পুরুষদের সাদৃশ্য অবলম্বন করল। অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরুষবেশী নারীদেরকে অভিসম্পাত করেছেন এবং ঐ সকল নারীর প্রতি অভিসম্পাত করেছেন যারা পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বন করে।

ফতোয়া প্রদান:
আল্লামা সালিহ আল ফাউযান (হাফিযাহুল্লাহ)
সৌদি হাইয়াতু কিবারিল উলামা (Council of Senior Scholars)
এবং স্থায়ী ফতোয়া কমিটির সদস্য
সাবেক প্রধান, সুপ্রিমকোর্ট ফর জাস্টিস, সৌদি আরব
ভিডিও থেকে অনুবাদ: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল।।

Share This Post