তাসবীহদানা এবং কাউন্টার মেশিন দিয়ে তাসবিহ পাঠ করার বিধান

প্রশ্ন: তাসবীহদানা এবং কাউন্টার মেশিন দিয়ে তাসবিহ পাঠ করা সুন্নাত না বিদায়াত? আশা করি, দলিল ভিত্তিক উত্তর প্রদান করে সাহায্য করবেন৷ উত্তর: হাতের আঙ্গুল দিয়ে তাসবীহ গণনা করা উত্তম। কেননা, এই আঙ্গুলগুলো কিয়ামতের দিন সাক্ষ্য দিবে। তবে কারও আঙ্গুলে সমস্যা থাকলে কিংবা অসুস্থ ও বয়োবৃদ্ধ হওয়ার কারণে সংখ্যা মনে রাখতে না পারলে তখন তাসবীহ দানা …

Read more

Share:

নতুনভাবে দ্বীন পালন শুরু করেছেন-এমন ব্যক্তিকে কি ‘নওমুসলিম’ বলা যায়?

প্রশ্ন: কোনো মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া লোক কখনও দ্বীন সেরকমভাবে পালন করতেন না, কিন্তু ইদানিং নিয়মিত পালন করেন।এমন লোকদের কি নওমুসলিম বলা যাবে? উত্তর:  এমন ব্যক্তিকে ‘নওমুসলিম’ না বলে ‘তওবাকারী’ বা হেদায়েতপ্রাপ্ত বলা যেতে পারে। কারণ আমাদের সমাজে পারিভাষিক অর্থে হিন্দু, খৃষ্টান বা অন্য কোন ধর্ম থেকে ইসলাম কবুল করলে তাকে‘ নও মুসলিম’ বা নতুন …

Read more

Share:

দেবর চায় না তার ভাবি বাড়িতে নিকাব পড়ুক

প্রশ্ন: এক বোনের বিয়ে হয়েছে প্রায় দেড় বছর। তিনি শ্বশুর বাড়ি থাকেন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ সম্পূর্ণ পর্দা maintain করেন। বাড়িতে নন মাহরামদের সামনেও নিকাব পরের। এখন সমস্যা হল,‌ তার দেবর কোনোভাবেই ঘরের মধ্যে নিকাব মেনে নিচ্ছে না। সে ঘরে একসাথে খাওয়া ও বন্ধ করে দিয়েছে। এরকম আরও সমস্যা করছে। ঐ বোনের হাসবেন্ড আর না পেরে তার স্ত্রীকে …

Read more

Share:

সুরা বাকারা’র ৭৯ নং আয়াত এর তাফসীর

প্রশ্ন: নিচের এই আয়াত দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে? আল্লাহ তাআলা বলেন: “অতএব তাদের জন্যে আফসোস! যারা নিজ হাতে গ্রন্থ লেখে এবং বলে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ-যাতে এর বিনিময়ে সামান্য অর্থ গ্রহণ করতে পারে। অতএব তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের হাতের লেখার জন্য এবং তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের উপার্জনের জন্যে।” (সুরা বাকারাহ: ৭৯) উত্তর: এখানে ইহুদী …

Read more

Share:

কেউ যদি রোগ-ব্যাধিতে সবর করে চিকিৎসা গ্রহণ থেকে বিরত থাকে তাহলে কি গুনাহগার হবে?

উত্তর: রোগ-ব্যাধি আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি পরীক্ষা। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের গুনাহ-খাতা মোচন করেন এবং তাঁর দরবারে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তাই আমাদের কর্তব্য হল, রোগ-ব্যাধিতে আল্লাহ পক্ষ থেকেপ্রতিদানের আশা করা। সেই সাথে সুস্থতার জন্য দুআ করার পাশাপাশি বৈধ পন্থায় চিকিৎসা গ্রহণ করা। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: مَا أَنْزَلَ اللهُ عَزَّ …

Read more

Share:

রোগ-ব্যাধিতে ঈমানদারের করণীয়

♻ ১) এ বিশ্বাস রাখা যে, রোগ-ব্যাধিতে একমাত্র আরোগ্যদানকারী মহান আল্লাহ। তিনি ছাড়া অন্য কেউ রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন: وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ “(ইবরাহীম আ. বললেন) যখন আমি অসুস্থ হই তখন তিনিই আমাকে সুস্থতা দান করেন।” (সূরা শুয়ারা: ৮০) ওষুধ-পথ্য কেবল মাধ্যম। মহান আল্লাহই এ সব ওষুধে রোগমুক্তির কার্যকারিতা দান করেছেন।ওষুধকেই …

Read more

Share:

ইসলামের দৃষ্টিতে ভ্যাক্সিন/টিকা গ্রহণ করার বিধান

প্রশ্ন: অনেক মানুষ রোগ প্রতিরোধক ভ্যাক্সিন নেয়াকে পশ্চিমাদের ষড়যন্ত্র মনে করে থাকে! এটা কতটুকু সঠিক? ঔষধ কিংবা ভ্যাক্সিনে ক্ষতিকর উপাদান আছে বলে প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও এমন অভিযোগ করা কতটুকু সঠিক? উত্তর:  রোগ-ব্যাধির আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য অগ্রিম ভ্যাক্সিন/টিকা গ্রহণ করা জায়েয। ব্যাপারে ইসলামে কোন বাধা নেই। বরং রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে অগ্রিম …

Read more

Share:

রোগ ব্যাধিতে চিকিৎসা গ্রহণ করা কি আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) এর পরিপন্থী

উত্তর: রোগ-ব্যাধি আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি পরীক্ষা। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের গুনাহ-খাতা মোচন করেন এবং তাঁর দরবারে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তাই আমাদের কর্তব্য হল, রোগ-ব্যাধিতে আল্লাহ পক্ষ থেকে প্রতিদানের আশা করা। সেই সাথে সুস্থতার জন্য দুআ করার পাশাপাশি বৈধ পন্থায় চিকিৎসা গ্রহণ করা। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: مَا أَنْزَلَ اللهُ …

Read more

Share:

রাগ বা অভিমান করে চিকিৎসা না করার কারণে মৃত্যু বরণ করা আত্মহত্যার শামিল

প্রশ্ন: কোনো রোগী যদি রাগ করে বা অভিমান বশত: ডাক্তার না দেখান এবং সেই রোগের কারণে যদি তার মৃত্যু হয় তবে কি তিনি গুনাহগার হবেন? উত্তর: আল্লাহ তাআলা যেমন রোগ দিয়েছেন রোগের চিকিৎসাও দিয়েছেন। কেউ তা জানে আর কেউ জানে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও চিকিৎসা পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন এবং সাহাবীগণ চিকিৎসা করেছেন। …

Read more

Share:

জ্বীন-শয়তান, যাদু-টোনা ইত্যাদি থেকে রক্ষা পেতে “লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা- শারিকা লাহু…..ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শায়্যিন ক্বাদীর” এই কালিমা কয়বার পড়তে হবে

প্রশ্ন: জ্বীন-শয়তান, যাদু-টোনা ইত্যাদি থেকে রক্ষা পেতে “লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা- শারিকা লাহু…..ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শায়্যিন ক্বাদীর” এই কালেমা বা দুয়া টা সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার” পড়তে হয়-এইরকম হাদিসে আছে নাকি শুধু সকালে ১০০ বার পড়লেই পরের দিন সকাল পর্যন্ত নিরাপদ থাকা যাবে? উত্তর: এ প্রসঙ্গে আমরা দুটি হাদীস উল্লেখ …

Read more

Share: