প্রশ্ন: সফর অবস্থায় জামাত পরিত্যাগ করত একাকী সালাত আদায় করা কি জায়েজ?
উত্তর: সফর অবস্থায় জামাতে সালাত আদায়ের সম্পর্কে আল্লামা শায়খ ইবনে বায (রহ.) বলেন,
“যেখানে জামাতে নামাজ কায়েম হয় এমন স্থানে অবস্থান করলে কোনও ব্যক্তির জন্য একা নামাজ পড়া জায়েজ নয়-সে মুসাফির হোক বা মুকিম (স্থায়ীভাবে অবস্থানকারী)। বরং তার কর্তব্য হলো, অন্যান্য লোকজনের সাথে জামাতে শরিক হওয়া এবং পূর্ণ নামাজ আদায় করা। কারণ—
১. নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ فَلَمْ يَأْتِهِ فَلَا صَلَاةَ لَهُ إِلَّا مِنْ عُذْرٍ»
“যে ব্যক্তি আজান শুনল অথচ তাতে উপস্থিত হলো না তার নামাজ হবে না—অবশ্য কোনও ওজর (যুক্তিযুক্ত কারণ) থাকলে ভিন্ন কথা।” [সুনানে ইবনে মাজাহ, দারাকুতনি, ইবনে হিব্বান ও হাকেম। ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী এটি সহিহ]।
২. ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘ওজর’ বলতে কী বোঝায়? তিনি বলেছিলেন: “ভয় বা অসুস্থতা।”
৩. একবার এক অন্ধ ব্যক্তি রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে আবেদন করলেন, “হে আল্লাহর রসুল, আমার জন্য কি ঘরে নামাজ পড়ার কোনও সুযোগ আছে?”
রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন:
«هَلْ تَسْمَعُ النِّدَاءَ بِالصَّلَاةِ؟»
“তুমি কি নামাজের আজান শুনতে পাও?”
লোকটি উত্তর দিলেন, “জি, পাই।”
তখন রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন:
«فَأَجِبْ»
“তবে আজানের ডাকে সাড়া দাও (অর্থাৎ মসজিদে উপস্থিত হও)।” [সহিহ মুসলিম]।
৪. নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন:
«لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ بِالصَّلَاةِ فَتُقَامَ، ثُمَّ آمُرَ رَجُلًا فَيُصَلِّيَ بِالنَّاسِ، ثُمَّ أَنْطَلِقَ مَعِي بِرِجَالٍ مَعَهُمْ حُزَمٌ مِنْ حَطَبٍ إِلَى قَوْمٍ لَا يَشْهَدُونَ الصَّلَاةَ، فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوتَهُمْ بِالنَّارِ»
“আমার ইচ্ছা হয় যে, নামাজের নির্দেশ দেই এবং তা কায়েম করা হোক। এরপর একজনকে আদেশ করি সে যেন মানুষকে নামাজ পড়ায়। তারপর আমি একদল লোক সাথে নিয়ে যাদের কাছে কাঠের আটি থাকবে, সেই সব মানুষের কাছে যাই যারা জামাতে উপস্থিত হয় না আর তাদের ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেই।” [বুখারি ও মুসলিম]।
৫. ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন:
مَن سَرَّه أن يَلقى اللَّهَ غَدًا مُسلِمًا فليُحافِظْ على هؤلاء الصَّلَواتِ حَيثُ يُنادى بهِنَّ؛ فإنَّ اللَّهَ شَرَعَ لنَبيِّكُم صلَّى اللهُ عليه وسلَّم سُنَنَ الهُدى، وإنَّهُنَّ مَن سُنَنَ الهُدى، ولو أنَّكُم صَلَّيتُم في بُيوتِكُم كما يُصَلِّي هذا المُتَخَلِّفُ في بَيتِه لَتَرَكتُم سُنَّةَ نَبيِّكُم، ولو تَرَكتُم سُنَّةَ نَبيِّكُم لَضَلَلتُم، وما مِن رَجُلٍ يَتَطَهَّرُ فيُحسِنُ الطُّهورَ، ثُمَّ يَعمِدُ إلى مَسجِدٍ مِن هذه المَساجِدِ، إلَّا كَتَبَ اللهُ له بكُلِّ خَطوةٍ يَخطوها حَسَنةً، ويَرفَعُه بها دَرَجةً، ويَحُطُّ عنه بها سَيِّئةً، ولقد رَأيتُنا وما يَتَخَلَّفُ عَنها إلَّا مُنافِقٌ مَعلومُ النِّفاقِ، ولقد كان الرَّجُلُ يُؤتى به يُهادى بينَ الرَّجُلَينِ حتَّى يُقامَ في الصَّفِّ
“যে ব্যক্তি আগামীকাল (কিয়ামতের দিন) আল্লাহর সাথে মুসলিম হিসেবে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত হতে চায়, সে যেন আজান হওয়া মাত্রই এই নামাজগুলোর প্রতি যত্নবান হয়। আল্লাহ তাআলা তোমাদের নবীর জন্য হেদায়েতের পথসমূহ (সুন্নাহ) নির্ধারণ করে দিয়েছেন আর এই নামাজগুলো সেই হেদায়েতের অন্তর্ভুক্ত। তোমরা যদি জামাত ত্যাগ করে এই পিছপা হওয়া লোকটির মতো ঘরে নামাজ পড়ো তবে তোমরা তোমাদের নবীর সুন্নাহ ত্যাগ করলে। আর যদি নবীর সুন্নাহ ত্যাগ করো তবে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে। আমরা দেখেছি, আমাদের সময়ে প্রকাশ্য মুনাফিক বা অসুস্থ ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ জামাত থেকে পিছিয়ে থাকত না। এমনকি অসুস্থ ব্যক্তিকে দুই মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এনে কাতারে দাঁড় করানো হতো।” [সহিহ মুসলিম]।
এই মর্মে আরও অনেক হাদিস রয়েছে।
তাই মুসাফির বা মুকিম—প্রত্যেক মুসলিমের জন্যই ওয়াজিব হলো জামাতের সাথে নামাজ পড়া। আজান শুনতে পেলে একা নামাজ পড়া থেকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। আল্লাহই তাওফিক দাতা।
[মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাত আশ শায়খ ইবনে বায ১২/৩৯]
❑ আল্লামা উসাইমিন (রাহ.) বলেন,
ولا تسقط صلاة الجماعة عن المسافر ؛ لأن الله تعالى أمر بها في حال القتال فقال : (وَإِذَا كُنْتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلاةَ فَلْتَقُمْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا فَلْيَكُونُوا مِنْ وَرَائِكُمْ وَلْتَأْتِ طَائِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّوا فَلْيُصَلُّوا مَعَكَ ) النساء/102 . وعلى هذا فإذا كان المسافر في بلد غير بلده وجب عليه أن يحضر الجماعة في المسجد إذا سمع النداء إلا أن يكون بعيداً أو يخاف فوت رفقته, لعموم الأدلة الدالة على وجوب صلاة الجماعة على من سمع النداء أو الإقامة ” اهـ
“মুসাফিরের ওপর থেকে জামাতে সালাত আদায় করার বিধান রহিত হয় না। কারণ আল্লাহ তাআলা যুদ্ধের অবস্থাতেও জামাতে সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন:
وإِذَا كُنْتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلَاةَ فَلْتَقُمْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا فَلْيَكُونُوا مِنْ وَرَائِكُمْ وَلْتَأْتِ طَائِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّوا فَلْيُصَلُّوا مَعَكَ
“আর যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকবেন এবং তাদের সাথে সালাত কায়েম করবেন তখন যেন তাদের একটি দল আপনার সাথে দাঁড়ায় এবং তারা যেন নিজেদের অস্ত্র সাথে রাখে। অতঃপর যখন তারা সিজদা সম্পন্ন করবে তখন যেন তারা আপনাদের পেছন থেকে চলে যায়। আর অন্য যে দলটি এখনো সালাত আদায় করেনি তারা যেন আসে এবং আপনার সাথে সালাত আদায় করে।” [সূরা নিসা: ১০২]
এর ওপর ভিত্তি করে, মুসাফির ব্যক্তি যখন নিজের এলাকা ছাড়া অন্য কোনও এলাকায় অবস্থান করবে তখন আজান শুনতে পেলে মসজিদে গিয়ে জামাতে উপস্থিত হওয়া তার ওপর ওয়াজিব। তবে মসজিদ যদি বেশি দূরে হয় কিংবা জামাতে গেলে তার সফরসঙ্গী বা কাফেলা ছুটে যাওয়ার ভয় থাকে তবে ভিন্ন কথা। কারণ আজান বা ইকামতের আওয়াজ যে শুনতে পাবে, তার ওপর জামাতে সালাত আদায় ওয়াজিব হওয়ার সাধারণ দলিলগুলো সবার জন্যই প্রযোজ্য।”
[মাজমু ফাতাওয়া ওয়া রাসায়িল শাইখ ইবনে উসাইমিন, ১৫/২৫২]
❑ শাইখ ইবনে উসাইমিন রাহ.-কে আরও জিজ্ঞাসা করা হয়:
আমি যদি সফরে থাকি এবং সালাতের আজান শুনতে পাই তবে কি আমার জন্য মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করা ওয়াজিব? আর আমি যদি আমার অবস্থানস্থলেই সালাত আদায় করে নিই তবে কি কোনও গুনাহ হবে? সফরের মেয়াদ যদি একটানা চার দিনের বেশি হয় তবে কি আমি সালাত কসর করব নাকি পূর্ণ আদায় করব?
তিনি উত্তরে বলেন:
«إِذَا كُنْتُ فِي سَفَرٍ وَسَمِعْتُ النِّدَاءَ لِلصَّلَاةِ فَهَلْ يَجِبُ عَلَيَّ أَنْ أُصَلِّيَ فِي الْمَسْجِدِ، وَلَوْ صَلَّيْتُ فِي مَكَانِ إِقَامَتِي فَهَلْ فِي ذَلِكَ شَيْءٌ؟ إِذَا كَانَتْ مُدَّةُ السَّفَرِ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعَةِ أَيَّامٍ مُتَوَاصِلَةٍ فَهَلْ أَقْصُرُ الصَّلَاةَ أَمْ أُتِمُّهَا؟»
فَأَجَابَ قَائِلًا: «إِذَا سَمِعْتَ الْأَذَانَ وَأَنْتَ فِي مَحَلِّ الْإِقَامَةِ وَجَبَ عَلَيْكَ أَنْ تَحْضُرَ إِلَى الْمَسْجِدِ، لِأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِلرَّجُلِ الَّذِي اسْتَأْذَنَهُ فِي تَرْكِ الْجَمَاعَةِ: (أَتَسْمَعُ النِّدَاءَ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: فَأَجِبْ) رَوَاهُ مُسْلِمٌ (653). وَقَالَ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ: (مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ فَلَمْ يَأْتِ فَلَا صَلَاةَ لَهُ إِلَّا مِنْ عُذْرٍ) رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ (217). وَصَحَّحَهُ الْأَلْبَانِيُّ فِي صَحِيحِ التِّرْمِذِيِّ.
وَلَيْسَ هُنَاكَ دَلِيلٌ يَدُلُّ عَلَى تَخْصِيصِ الْمُسَافِرِ مِنْ هَذَا الْحُكْمِ إِلَّا إِذَا كَانَ فِي ذَهَابِكَ لِلْمَسْجِدِ تَفْوِيتُ مَصْلَحَةٍ لَكَ فِي السَّفَرِ مِثْلَ أَنْ تَكُونَ مُحْتَاجًا إِلَى الرَّاحَةِ وَالنَّوْمِ فَتُرِيدُ أَنْ تُصَلِّيَ فِي مَقَرِّ إِقَامَتِكَ مِنْ أَجْلِ أَنْ تَنَامَ، أَوْ كُنْتَ تَخْشَى إِذَا ذَهَبْتَ إِلَى الْمَسْجِدِ أَنْ يَتَأَخَّرَ الْإِمَامُ فِي الْإِقَامَةِ
“আপনি যখন অবস্থানস্থলে থাকা অবস্থায় আজান শুনতে পাবেন তখন মসজিদে উপস্থিত হওয়া আপনার ওপর ওয়াজিব। কারণ আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামাতে উপস্থিত না হওয়ার অনুমতি প্রার্থনাকারী ব্যক্তিকে বলেছিলেন:
أَتَسْمَعُ النِّدَاءَ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، قَالَ : فَأَجِبْ
“তুমি কি আজান শুনতে পাও? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তাহলে সাড়া দাও।” [সহিহ মুসলিম: ৬৫৩]
এবং তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) আরও বলেছেন:
مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ فَلَمْ يَأْتِ فَلَا صَلَاةَ لَهُ إِلَّا مِنْ عُذْرٍ
“যে ব্যক্তি আজান শুনল অথচ (মসজিদে) এল না, ওজর ছাড়া তার সালাতই হবে না।” [সুনানে তিরমিজি: ২১৭, আলবানি সহিহ তিরমিজিতে এটিকে সহিহ বলেছেন]
আর এই বিধান থেকে মুসাফিরকে সুনির্দিষ্টভাবে বাদ দেওয়ার মতো কোনও দলিল নেই। তবে মসজিদে যাওয়ার কারণে যদি সফরে আপনার কোনও কল্যাণ বা জরুরি বিষয়ে ব্যাঘাত ঘটে—যেমন আপনার বিশ্রাম ও ঘুমের খুব প্রয়োজন, তাই আপনি নিজের অবস্থানস্থলে সালাত আদায় করে ঘুমিয়ে নিতে চাচ্ছেন; কিংবা আপনার ভয় হচ্ছে যে মসজিদে গেলে ইমাম সাহেব ইকামত দিতে দেরি করবেন আর আপনার সফরের গাড়ি বা ফ্লাইট ছুটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—তবে ভিন্ন কথা।”
(মাজমু ফাতাওয়া ওয়া রাসায়িল শাইখ ইবনে উসাইমিন, ১৫/৪২২)
[সোর্স: islamqa]
➧ উল্লেখ্য যে, পুরুষদের জন্য জামাতে নামাজ পড়া ওয়াজিব নাকি সুন্নতে মুয়াক্কাদা এ বিষয়টি আলেমদের মাঝে দ্বিমত পূর্ণ। তবে জুমহুর বা অধিকাংশ আলেমের মতে তা সুন্নতে মুয়াক্কাদা; ওয়াজিব নয়।
❑ নির্জন স্থানে একাকী নামাজ ও আজানের মর্যাদা:
আপনি যদি এমন স্থানে গমন করেন যেখানে স্থানীয় কোন মসজিদ না থাকে বা নামাজ পড়ার মত কোন সফর সঙ্গী না থাকে তাহলে সেখানে একাকী নামাজ আদায় করবেন। তবে সে ক্ষেত্রে আজান দিয়ে নামাজ পড়া অধিক উত্তম। যেমনটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«يَعْجَبُ رَبُّكَ مِنْ رَاعِي غَنَمٍ فِي رَأْسِ شَظِيَّةٍ بِجَبَلٍ، يُؤَذِّنُ بِالصَّلَاةِ وَيُصَلِّي، فَيَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: انْظُرُوا إِلَى عَبْدِي هَذَا يُؤَذِّنُ وَيُقِيمُ الصَّلَاةَ يَخَافُ مِنِّي، قَدْ غَفَرْتُ لِعَبْدِي وَأَدْخَلْتُهُ الْجَنَّةَ»
“তোমাদের প্রতিপালক পাহাড়ের চূড়ায় থাকা সেই বকরির রাখালকে দেখে আনন্দিত হন (বা আশ্চর্যান্বিত হন), যে নামাজের জন্য আজান দেয় এবং নামাজ আদায় করে। তখন আল্লাহ তাআলা (ফেরেশতাদের) বলেন: তোমরা আমার এই বান্দার প্রতি লক্ষ করো, সে আজান দিচ্ছে এবং নামাজ কায়েম করছে; সে কেবল আমাকেই ভয় পায়। আমি আমার এই বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালাম।”
[সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নম্বর: ১২০৩; সুনানে নাসায়ি, হাদিস নম্বর: ৬৬৬; মুসনাদে আহমদ, হাদিস নম্বর: ১৭৪৬১; আলবানী রহ. হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
আল্লাহ তওফিক দান করুন। আমিন।
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬
গ্রন্থনায়: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব।