কাউকে যদি ফজরের নামাজের সময় প্রেমিকা কল দিয়ে জাগিয়ে দেয় নামাজ পড়ার জন্য তাহলে এতে কি কোন সমস্যা হবে

প্রশ্ন: কাউকে যদি ফজরের নামাজের সময় প্রেমিকা কল দিয়ে জাগিয়ে দেয় নামাজ পড়ার জন্য তাহলে এতে কি কোন সমস্যা হবে?
উত্তর:
প্রেমিকা যখন প্রেমিককে ফজরের নামাজের জন্য কল দিয়ে জাগিয়ে দেবে তখন শয়তান এই দুইজনের মাঝে কু প্রবৃত্তিকে জাগিয়ে দেবে। তারপর ফজরের নামাজ পড়ে শুরু হবে তাদের মাঝে নানা ধরণের শয়তানি।
এভাবেই নেক সুরাতে শয়তান দু জনকে তার ফেতনার জালে আটকে ফেলবে। কেননা শয়তানের চক্রান্ত বড়ই জটিল।
তাই তো মহান আল্লাহ মুমিনদেরকে সতর্ক করে বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ وَمَن يَتَّبِعْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ فَإِنَّهُ يَأْمُرُ بِالْفَحْشَاءِ وَالْمُنكَرِ
“হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ করবে। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া তোমাদের প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের কেউ কখনও পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। [সূরা নূর: ২১]

সুতরাং উভয়ের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করত: তথাকথিত এই প্রেম নামক শয়তানের ফাঁদ থেকে বের হয়ে আসা জরুরি। কেননা বিয়ের পূর্বে ছেলে মেয়েদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক রাখা হারাম।
এর পরিবর্তে ছেলে মেয়ের অভিভাবকের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেবে অতঃপর অভিভাবকের সম্মতি ক্রমে তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হবে।
তারপর একে অপরকে সালাতের সময় জাগিয়ে দেবে, দীনের পথে চলতে উৎসাহ জোগাবে ও সহযোগিতা করবে। এভাবে তারা দুনিয়াতে যেমন একটি ঈমান, তাকওয়া ও ভালবাসা পূর্ণ সুন্দর দাম্পত্য জীবনের অধিকারী হবে তেমনি আখিরাতে চির শান্তির নীড় জান্নাত প্রবেশ করে অনন্ত সুখ-সমৃদ্ধ জীবন লাভে ধন্য হবে ইনশাআল্লাহ।
▬▬▬●■●▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব।।

Share On Social Media