কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

এক বোন প্রশ্ন করেছে যে, সে আগে একটা হারাম প্রেম করেছিল

প্রশ্ন: এক বোন প্রশ্ন করেছে যে, সে আগে একটা হারাম প্রেম করেছিল। তাই তখন না বুঝে আল্লাহ কে বলেছিল, হে আল্লাহ, অমুককে তুমি আমার জীবন সঙ্গী হিসেবে দাও। যদি তাকে দাও আর কাউকে দিও না। সে না বুঝে ভুল করে আল্লাহর কাছে এমন একটা বাজে আবদার করেছে।

পরে সে বুঝতে পারে যে, সে হারাম কাজ ও হারাম জিনিস চেয়েছে। সে ভুল করছে। এখন সে বোন নিজের ভুল বুঝতে পেরে ঐ পথ থেকে সরে আসে। এখন তার কথা হচ্ছে, তার হারাম চাওয়া কি কবুল হয়েছে? এজন্য তার কি পাপ হবে যদি এখন তওবা করে?

উত্তর:

ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহপূর্ব প্রেম/রিলেশন করা হারাম। তবে কোন নারী যদি কোনো ব্যক্তির দ্বীনদারী, তাকওয়া, জ্ঞান, যোগ্যতা ইত্যাদি ভালো দিক দেখে তাকে স্বামী হিসেবে পাওয়ার জন্য আল্লাহর নিকট দুআ করে তাহলে তাতে কোনো দোষ নেই। তবে অধিক উত্তম হল, আল্লাহর উপর ন্যস্ত করা। অর্থাৎ এভাবে দুআ করা: হে আল্লাহ, যার সাথে বিয়ে হলে আমার দ্বীন, দুনিয়া ও চরিত্র সংরক্ষণের জন্য উত্তম হবে তার সাথে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করে দাও।

কেননা বাহ্যত কারো প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার জন্য দুআ করা হল। কিন্তু তার প্রকৃত অবস্থা তো একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানেন না। হয়ত সে তার জীবনের জন্য ক্ষতিকারকও হতে পারে। তাই বিয়ের বিষয়টি আল্লাহর উপর ন্যস্ত করে দুআ করা অধিক উত্তম।
আল্লাহু আলাম।
–আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল।।

Share This Post