কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

ইহুদিদের লাল গাভীর রহস্য

ফেইসবুকে লাল গাভী নিয়ে খুব পোস্ট হচ্ছে। এটা নাকি দাজ্জাল আগমনের আলামত। এ কথাটার সত্যতা কতটুকু?

উত্তর:

ইহুদীদের বিকৃত ধর্মগ্রন্থের ভাষ্যমতে, কিয়ামত সংঘটিত সময় ঘনিয়ে আসলে পৃথিবীতে একটি লাল গাভী জন্ম নিবে। সেই লাল গাভী জন্ম হওয়ার পর তিন বছর বয়সে উপনীত হলে তারা সেটিকে আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে সেই ছাই মেখে ইহুদি সম্প্রদায় পবিত্র হবে। এই ছাই মাখা ছাড়া ইহুদিরা পবিত্র হবে না।

তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী লাল গাভী বের হওয়ার পরই বর্তমান বাইতুল মাকদিস মসজিদ এবং The Dome of the Rock বা القبة الصخراء ভেঙ্গে সেখানে তারা একটি হাইকাল বা উপাসনালয় নির্মাণ করবে বা মাটির নিচের প্রথিত অবস্থায় আছে তা মাটি খুঁড়ে উত্তলন করবে।
এটি হবে তৃতীয় হাইকল।
এই হাইকাল উপাসনালয়ে কেবল পবিত্র ইহুদীরাই ঢোকার সুযোগ পাবে; অন্যরা নয়।

উল্লেখ্য যে, এর পূর্বে আরো দু বার হাইকাল নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রথমবার নির্মাণ করেছিলেন নবী সুলাইমান আলাইহিস সালাম। কিন্তু পরবর্তীতে সেগুলো ভেঙ্গে ফেলা হয়।
তাই তারা বিশ্বের সর্বত্র এই লাল গাভী খুঁজে বেড়াচ্ছে।

যাহোক, বহু খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে আমেরিকার নিউ জার্সিতে অবস্থিত একটি গো খামারে এক লাল গাভীর সন্ধান পাওয়া গেছে।
কিন্তু গাভীর মালিক সেটি ইহুদীদের কাছে কোন মতেই- মিলিয়ন ডলার দিয়ে ও বিক্রয় করতে রাজি নয়।

উক্ত লাল গাভী কে কেন্দ্র করে ইহুদিদের ধর্মীয় উম্মাদনা নতুন ভাবে সৃষ্টি হয়েছে। এখন যে কোনো মূল্যে উক্ত লাল গাভী সংগ্রহ করে সেটিকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই বানিয়ে গায়ে মেখে দুনিয়ার নাপাক ইহুদিরা পাক হতে চায়।

কিন্তু তাদের ভুলে গেলে চলবে না, এসকল গল্প দিয়ে মসজিদে আকসা ভেঙ্গে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র হলে মুসলিম বিশ্বে যুদ্ধের আগুন দাউদাউ করে জ্বলে উঠতে পারে।
তখন ইনশাআল্লাহ উড়ে আসা জুড়ে বসা এই অভিশপ্ত ইহুদিদের অস্তিত্ব পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যাবে ইনশাআল্লাহ।
হে আল্লাহ তুমি ইহুদিদের সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে মসজিদুল আকসা কে পুনরায় মুসলিমদের হাতে ফিরিয়ে দাও।
নিশ্চয় তুমি দোয়া কবুলকারী। আল্লাহু আলাম

(ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য ঘেঁটে এতটুকুই উদ্ধার করতে সক্ষম হলাম। তবে এতটুকু তথ্য এ বিয়ষে যথেষ্ট নয়। আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে।)

– আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

Share This Post